দেশের পাচঁ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস

২৭ জুন ২০২৬, ১০:১৭ PM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত

ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং অব্যাহত বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদীর পানি আবারও দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এর ফলে আগামী তিন দিনের মধ্যে কুড়িগ্রামসহ রংপুর বিভাগের ৫টি জেলায় একটি স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

আজ শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে দেওয়া এক বিশেষ পূর্বাভাস বার্তায় এই সতর্কবার্তা জারি করা হয়। পাউবো কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান এবং জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ সামগ্রিক প্রস্তুতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিভিন্ন আবহাওয়া সংস্থার তথ্যের বরাতে পাউবোর পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন উজানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম প্রদেশে আগামী ৫ দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের তীব্র সম্ভাবনা রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানির সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী ৫ দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে আগামী ৩০ জুন থেকে ২ জুলাইয়ের মধ্যে ব্রহ্মপুত্রের পানি সতর্কসীমায় বা তার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে এর নিম্নাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত করতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও সতর্ক করা হয়েছে যে, আগামী ৩ দিন রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদ-নদীর পানির সমতল আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এর ফলে কুড়িগ্রাম, রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও গাইবান্ধা জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোতে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।

আজ শনিবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণকক্ষের সর্বশেষ তথ্য মতে, জেলার সবকটি নদ-নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই মুহূর্তে দুধকুমার নদের পানি কিছুটা কমছে এবং ধরলা ও তিস্তা নদীর পানি স্থিতিশীল রয়েছে। তবে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পাউবো কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে বলেন, “ব্রহ্মপুত্র নদের পানি যদি এভাবে বাড়তে থাকে, তবে অন্য শাখা নদীগুলোর পানি সহসা নেমে যেতে পারে না, যা বন্যার ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে দেয়। আগামী তিন দিনের মধ্যে একটি স্বল্পমেয়াদি বন্যার স্পষ্ট পূর্বাভাস রয়েছে। আমরা মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। সম্ভাব্য প্লাবনের কথা মাথায় রেখে নদীতীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আগাম প্রস্তুতি রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”

সম্ভাব্য এই দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যেই ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, “বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের আগাম প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। জরুরি আপদকালীন সময়ের জন্য পর্যাপ্ত শুকনা খাবার ও প্রয়োজনীয় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) ও প্রশাসনকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

দেশে দ্বন্দ্ব, ইতালিতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রী- সন্তানকে হত্যা, …
  • ২৭ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপ উন্মাদনায় তিতুমীরে নেই বড় পর্দার আয়োজন, আক্ষেপ শিক…
  • ২৭ জুন ২০২৬
অনুদানের তালিকায় জামায়াত এমপির মেয়ের নাম দুইবার
  • ২৭ জুন ২০২৬
২০৩৮ ফিফা বিশ্বকাপের আয়োজক হতে চায় যুক্তরাষ্ট্র
  • ২৭ জুন ২০২৬
অস্ত্রের মুখে মেরিটাইম শিক্ষার্থীর ফোন-টাকা ছিনতাই, সিসিটিভ…
  • ২৭ জুন ২০২৬
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চাকরি, পদ ১০, আবেদন এসএস…
  • ২৭ জুন ২০২৬