তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমেছে ৬ ডিগ্রিতে

০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৩২ AM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © টিডিসি ফটো

পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে হিমালয় পাদদেশের এই জেলার স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভোরে তেঁতুলিয়ায় চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, যানবাহন চালক, শিশু ও বয়স্করা।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, আজ ভোর ৬টায় জেলার চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তারও আগে বুধবার (৭ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ওই দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত কয়েক দিন ধরে দুপুরের পর সূর্যের দেখা মিললেও কাঙ্ক্ষিত উষ্ণতা পাওয়া যাচ্ছে না। আজ (শুক্রবার) ভোর থেকেই জেলার গ্রাম ও শহরের সড়ক-মহাসড়ক ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায়। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে; চালকদের ধীরগতিতে যানবাহন চালাতে দেখা গেছে।

টানা শীত ও কুয়াশার প্রভাবে জেলার বিভিন্ন এলাকার দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম সংকটে পড়েছেন। কনকনে শীতের কারণে অনেকেই ভোরে কাজে বের হতে পারছেন না। শীত নিবারণের জন্য ভোর থেকে গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন স্থানে খড়কুটো, শুকনো পাতা ও কাঠ জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে।

ব্যক্তিগত কারণে সরে দাঁড়াতে চান যবিপ্রবি কোষাধ্যক্ষ
  • ০৩ মে ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাকা ধান তলিয়ে যেতে দেখে কৃষকের মৃত্যু
  • ০৩ মে ২০২৬
এনসিপি’র সমর্থনে ‘জাতীয় প্রতিবন্ধী নাগরিক শক্তির’ আত্মপ্রকাশ
  • ০২ মে ২০২৬
‘যাকাতের চেয়ে চাঁদাবাজি ভালো’— বিএনপি নেত্রীর বক্তব্যের প্র…
  • ০২ মে ২০২৬
খুবিতে ‘চা গরম’ চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  • ০২ মে ২০২৬
‘বিদায় বন্ধু’ - জামিল লিমনকে হারিয়ে অঝোরে কাঁদছেন শিক্ষক
  • ০২ মে ২০২৬