সংঘর্ষে আহতরা © টিডিসি ফটো
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ ও প্রগতীশীল বাম ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) বিকেলে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঢাকা সফরের প্রতিবাদে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে বাম ছাত্র সংগঠনগুলো। এ সময় তারা টিএসসিতে জায়গা না পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সোপার্জিত স্বাধীনতা চত্ত্বরের দক্ষিণ পাশে মোদীর কুশপুত্তলিকা দাহ করার উদ্যোগ নেয়। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এতে বাদা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়।আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হামলায় আহতরা হলেন- ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাসুদ রানা, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাশেদ শাহরিয়ার, ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি সাদিকুর রহমান সাদিক, ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক তমা বর্মন, ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুমাইয়া সেতু, কেন্দ্রীয় নেতা আসমানী আশা, ঢাবি শাখার নেতা মেঘমল্লার বসু, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর ঢাবি শাখার সভাপতি জাবির আহমেদ জুবেলসহ প্রগতিশীল ছাত্রজোটের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হন।
হামলায় মানবজমিন পত্রিকার ফটো সাংবাদিক জীবন আহমেদ, দেশ রূপান্তরের রুবেল রশিদ, zuma press, UAS এর কাজী সালাউদ্দিন রাজু, ইউএনবির জাবেদ হাসনাইন চৌধুরী, ফ্রিল্যান্সার সাংবাদিক হিমুসহ সাত থেকে আট জন সাংবাদিক রক্তাক্ত আহত হন।
হামলার পর সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফন্টের সভাপতি আল কাদেরী জয় সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রলীগ নির্মম হামলা চালিয়েছে। আমরা মনে করি এই ধরণের হামলার বিচার হওয়া দরকার। হামলায় আমাদের অন্তত ২০ থেকে ২৫ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ১২ থেকে ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।’
হামলার বিষয়ে কথা বলতে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের সঙ্গে মোবাইলে কয়েকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি