প্রতিটি আন্দোলনে ঢাবির ভূমিকার জন্য গর্ব অনুভব করি: স্পিকার

২১ মার্চ ২০২১, ০৮:৪০ AM
‘স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তি-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার

‘স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তি-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার © সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাঙালি জাতির ইতিহাসে ব্যতিক্রমধর্মী, অনন্য সাধারণ ইতিহাসের অধিকারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা অর্জনসহ দেশের প্রতিটি আন্দোলনে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকার জন্য গর্ব অনুভব করি। 

শনিবার (২০ মার্চ) ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তি-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে প্রধান অতিথিদের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

স্পিকার বলেন, বাঙালি জাতির ইতিহাসে ব্যতিক্রমধর্মী, অনন্য সাধারণ ইতিহাসের অধিকারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের আগে বাংলা সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী অঞ্চল ছিল। পাকিস্তানের ২৪ বছরের শোষণ, নির্যাতনে তা ম্লান হয়ে যায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধিকারের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামের পরতে পরতে মিশে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অবদান। ভাষা আন্দোলনে ১৪৪ ধারা ভেঙে রাজপথে মিছিল বের করেছিল তৎকালীন ছাত্রসমাজ। তারা বুকের রক্ত দিয়ে ভাষার অধিকার আদায় করেছে। এটি বাঙালি রেনেসাঁ বা জাগরণের প্রথম আন্দোলন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক শামসুল হকও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্র ছিলেন। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ।

তিনি আরও বলেন, জাতির পিতাকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয়েছিল ডাকসুর নেতৃত্বে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, শিক্ষক, কর্মচারীরা প্রাণ দিয়েছেন অকাতরে। স্বাধীনতার দু'দিন আগে ১৪ ডিসেম্বর এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন বুদ্ধিজীবী-শিক্ষককে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তবে প্রতিটি আন্দোলনে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকার জন্য গর্ব অনুভব করি।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি এ. কে. আজাদ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। 

মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. ভীষ্মদেব চৌধুরী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ এবং যুক্তরাজ্যের ভিজিটিং প্রফেসর সেলিম জাহান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভারনারেবল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক খোন্দকার মোকাদ্দেম হোসেনের সঞ্চালনায় সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি ও ঢাবির শতবর্ষ উদযাপন কমিটির আহবায়ক আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী পারভেজ।

অনুষ্ঠানে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব রঞ্জন কর্মকারসহ অ্যালামনাইরা অংশ নেন।

তরুণদের সেলস পেশায় প্রস্তুত করতে শুরু হচ্ছে Sales Accelerat…
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
বিসিপিএসের রেডিওথেরাপি অনুষদের চেয়ারম্যান হলেন অধ্যাপক আকরা…
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
সহমর্মিতায় বদলে যাক পৃথিবী, আজ বিশ্ব মানবিকতা দিবস
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
উচ্চশিক্ষায় জেমির নতুন ঠিকানা, পেলেন ৭৩ লাখ টাকার বৃত্তি
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
৭ বিসিএস পরীক্ষার্থীর প্রার্থিতা বাতিল, নেপথ্যে আপত্তিকর বি…
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সঙ্গে ডাকসু প্রতিনিধিদলের বৈঠক 
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬