জাবি আমাকে পরিপূর্ণ মানুষ হতে সহায়তা করেছে: মুশফিক

জাবি আমাকে পরিপূর্ণ মানুষ হতে সহায়তা করেছে: মুশফিক
  © সংগৃহীত

আজ ১২ জানুয়ারি। প্রতিষ্ঠার ৫০ পেরিয়ে ৫১তম বছরে পদার্পণ করছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি)। বিশ্ববিদ্যালয়টির ইতিহাস বিভাগের ছাত্র ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুবর্ণজয়ন্তীতে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।

ফেসবুকে নিজের অফিসিয়াল পেজে এক ভিডিওবার্তায় মুশফিক বলেছেন, আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চাশ বছর পূর্তিতে আমি সম্মানিত সাবেক, বর্তমান সকল শিক্ষার্থী-শিক্ষকসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাইকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমি একজন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে সব সময় গর্ব অনুভব করি।

মুশফিক আরও বলেছেন, তাকে জীবনে পরিপূর্ণ একজন মানুষ হতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা আমাকে একজন পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে, আমি আমার প্রিয় ডিপার্টমেন্ট, ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মচারীসহ আমার ব্যাচের সকল বন্ধু-বান্ধবীদের নিকট চির কৃতজ্ঞ। আমি আশা করছি, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও গবেষণা কার্যক্রম উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে।

করোনার কারণে স্থবির হয়ে আছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ফলে খুব দ্রুতই নিজের প্রিয় ক্যাম্পাস প্রাণ ফিরে পাবে বলে মনে করেন তিনি, বর্তমানে কোভিড-১৯ মোকাবিলা করে খুব শিগগিরই আমাদের প্রিয় ক্যাম্পাস শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়ে পুনরায় ফিরে আসবে, এই আশা ব্যক্ত করছি। পরিশেষে উক্ত আয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সবাইকে আবারও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সবাই নিরাপদে থাকুন, সুস্থ থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকার অদূরে সাভারে ৬৯৮ একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত। প্রাকৃতিক পরিবেশ বিশ্ববিদ্যালয়টিকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করেছে। সেখানে প্রতিবছর প্রচুর শীতের পাখি আসে। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৭০ সালের ২০ আগস্ট, আর ক্লাস শুরু হয় ১৯৭১ সালের ৪ জানুয়ারি। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় ওই বছরের ১২ জানুয়ারি। তাই এই দিনটিকে ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ হিসেবে পালন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

জাহাঙ্গীরনগর যাত্রা শুরু করে চারটি বিভাগ নিয়ে—অর্থনীতি, ভূগোল, গণিত ও পরিসংখ্যান। এখন ৩৪টি বিভাগ ও ৪টি ইনস্টিটিউট রয়েছে। শিক্ষার্থী ছিলেন মাত্র ১৫০ জন। এখন দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার। শুরুর ২১ জন থেকে বেড়ে শিক্ষকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭১৮।


মন্তব্য