করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গত মার্চের মাঝামাঝি থেকে বন্ধ রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস। বন্ধের এই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে না জানিয়ে জোবাইকগুলো ক্যাম্পাস থেকে নিয়ে গেছে জোবাইক কর্তৃপক্ষ। এর আগে চট্টগ্রাম ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকেও হঠাৎ করে জোবাইক নিয়ে চলে যায় কর্তৃপক্ষ। পরে আর ওইসব ক্যাম্পাসে ফেরত যায়নি তারা।
জানা গেছে, ক্যাম্পাসের শ্যাডো এলাকা থেকে উধাও হওয়া এসব জোবাইকের ঠাঁই হয়েছে রাজধানীর বনানী, গুলশান ও বারিধারা এলাকায়। গত ২৪ জুন এসব জোবাইক নিয়ে সেখানে চালু করা হয় নতুন জোবাইক স্পট।
শ্যাডোতে অবস্থানকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, রাজধানীর গুলশান-বারিধারা-বনানী এলাকায় জোবাইকের সেবা কার্যক্রম চালু করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবগুলো জোবাইক নিয়ে যাওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে গত বছরের ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ডাকসু ও জোবাইক কর্তৃপক্ষের সহায়তায় জোবাইক সেবা কার্যক্রম চালু হয়। চালু হওয়ার পর নানা সঙ্কট লেগেই ছিল। এ নিয়ে শুরু থেকে ছিলো নানান সমালোচনা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, আলোচনা ছাড়া এসব জোবাইক ক্যাম্পাস থেকে নিয়ে যাওয়া তাদের উচিত হয়নি। ক্যাম্পাস বন্ধ থাকা অবস্থায় তাদের নিতে হলে তারা আলোচনা করে নিতে পারতো।
জোবাইক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাঈনুল করিম বলেন, জোবাইক নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আমাদের তারা জানায়নি। এসব বিষয়ে তারা আমাদের সাথে কখনো যোগাযোগও করেনি। তাছাড়া শুরুতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জোবাইক থাকলেও পরবর্তীতে এসব জোবাইক কমতে শুরু করে।
জোবাইকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদি রেজা জানান, ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় সেখান থেকে জোবাইকগুলি নিয়ে এসেছি। আমরা সেগুলোর কাজ করছি। চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতির শেষে ক্যাম্পাস খুললে তখন আবার সাইকেল সরবরাহ শুরু করবো।