ঢাবির হল-ক্যান্টিনে ৭০ শিশুর শৈশব বন্দি শ্রমে

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৫ AM , আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৭ PM
ঢাবির হল-ক্যান্টিনে ৭০ শিশুর শৈশব বন্দি শ্রমে

ঢাবির হল-ক্যান্টিনে ৭০ শিশুর শৈশব বন্দি শ্রমে © টিডিসি ফটো

শৈশব মানেই বই-খাতা, বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, খেলাধুলা আর নিশ্চিন্তে বেড়ে ওঠা। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আবাসিক হলগুলোর ক্যান্টিন, খাবারের দোকান ও এক্সটেনশন এলাকার দোকানে কাজ করা অনেক শিশুর জীবনে এসবের জায়গা নিয়েছে জীবিকার তাগিদ। পরিবারের অভাব মেটাতে কেউ টেবিল পরিষ্কার করছে, কেউ থালা-বাসন ধুচ্ছে, কেউ পানি সরবরাহ করছে। যে বয়সে তাদের বিদ্যালয়ে থাকার কথা, সে বয়সেই কাঁধে নিতে হচ্ছে কাজের দায়িত্ব। অনুসন্ধানে পাওয়া কর্মীদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠের বয়স মাত্র ১১ বছর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি আবাসিক হল ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ঘুরে পাওয়া ৮৭ জন কর্মীর মধ্যে ৭০ জনই ১৮ বছরের কম বয়সী। তাদের মধ্যে ২৪ জন কাজ করে হলগুলোর এক্সটেনশন এলাকার দোকানে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এসব শিশু-কিশোরের অনেকের পড়াশোনা থেমে গেছে প্রাথমিক স্তরেই। কেউ কাজের পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। কারও বাবা মারা গেছেন, কারও পরিবারে উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নেই, আবার কারও পরিবারের আয় দিয়ে ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করাও কঠিন। দীর্ঘ সময় কর্মস্থলে থেকেও অনেকের মাসিক আয় ৮ থেকে ৯ হাজার টাকার মধ্যে। তাদের জীবনযাপনের বাস্তবতা তাই শুধু শিশুশ্রমের চিত্র নয়; একই সঙ্গে শিক্ষা, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক শৈশবের অধিকার নিশ্চিত করার প্রশ্নও সামনে আনে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হলের ১৫ বছর বয়সী কর্মী বাঁধন পাটোয়ারীর জীবনেই দারিদ্র্যের কঠিন বাস্তবতা স্পষ্ট। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় দুর্ঘটনায় তার বাবা মারা যান। এরপর মানুষের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালাতে শুরু করেন তার মা। কিন্তু সেই আয় দিয়ে পরিবারের সবার খরচ মেটানো সম্ভব হচ্ছিল না। ফলে চতুর্থ শ্রেণির পরীক্ষা দেওয়ার আগেই জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় চলে আসতে হয় বাঁধনকে।

নিজের পরিস্থিতি তুলে ধরে বাঁধন বলেন, “আমার পারিবারিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। আমার বাবা কয়েক বছর আগে এক্সিডেন্টে মারা যান। আমি তখন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়তাম। আব্বা মারা যাওয়ার পর আম্মা মানুষের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালান। কিন্তু আম্মার ইনকাম দিয়ে আমাদের ভাই-বোনদের খরচ চলে না। যার কারণে চতুর্থ শ্রেণির পরীক্ষা দেওয়ার আগেই আমি এখানে চলে আসি।”

হলে কাজের পাশাপাশি দুপুরে প্রায় তিন ঘণ্টা ও রাতে আরও তিন ঘণ্টা কাজ করতে হয় তাকে। পরিবারের অভাবের কথা বলতে গিয়ে বাঁধন বলেন, “আমার অভাব, আমার পরিবারের অভাব টাকার। পড়ালেখা দিয়ে কী করব? পড়ালেখা দিয়ে তো আর পেট ভরবে না, অভাব পূরণ হবে না।”

বাঁধনের কথায় উঠে আসে এমন এক বাস্তবতা, যেখানে পরিবারের খাবার ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটানোই বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা সেখানে তাৎক্ষণিক জীবিকার চাপে পিছিয়ে পড়ছে।

মাস্টারদা সূর্য সেন হলের ১২ বছর বয়সী সজীব আহমেদের অভিজ্ঞতাও প্রায় একই রকম। ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়েছে সে। মা ও বড় ভাই কাজ করলেও পরিবারের আর্থিক সংকট কাটেনি। তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করা সজীব হলের একটি খাবারের দোকানে টেবিল পরিষ্কার ও থালা-বাসন ধোয়ার কাজ করে। তার উপার্জনের টাকা দোকানমালিক মায়ের কাছে পাঠিয়ে দেন। একই হলের আরেক কর্মীর বয়স মাত্র ১১ বছর, যা অনুসন্ধানে পাওয়া কর্মীদের মধ্যে সর্বনিম্ন।

অনুসন্ধানে পাওয়া শিশু-কিশোরদের মধ্যে কেউ পরিবারের ব্যয় মেটাতে, কেউ নিজের পড়াশোনার খরচ জোগাতে কাজে যুক্ত হয়েছে। শহীদুল্লাহ হলের এক্সটেনশন এলাকায় চাচার দোকানে কাজ করে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া তামিম গাজী। পরীক্ষার সময় বাড়িতে গিয়ে পরীক্ষা দেয় সে। কাজের পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও কর্মস্থলের দায়িত্ব তার নিয়মিত শিক্ষাজীবনে কতটা প্রভাব ফেলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।

অন্যদিকে, জসীমউদ্দীন হলের কর্মী জুনায়েদ হোসেন রাজু ২০২৫ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৩ দশমিক ৪৪ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। তার বাবা কৃষক। পরিবারের আর্থিক চাপ সামলানো ও কলেজের খরচ জোগাতে কাজ শুরু করেছে সে। কচুয়ার নিন্দুপুর কলেজে একাদশ শ্রেণিতে বাণিজ্য বিভাগে ভর্তি হয়েছে রাজু। তার মতো কেউ কেউ কাজের পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তবে সবার পক্ষে সেই সুযোগ ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

কর্মীদের কর্মঘণ্টা ও মজুরিতেও উদ্বেগজনক চিত্র পাওয়া গেছে। মাস্টারদা সূর্য সেন হলের এক কিশোর দিনে ১৩ থেকে ১৪ ঘণ্টা কাজ করে বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। বিজয় একাত্তর হলের এক কর্মী জানায়, সকাল ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে তাকে কাজে উঠতে হয় এবং রাত ১১টা পর্যন্ত কর্মস্থলে থাকতে হয়। মাসে তার আয় ৮ হাজার টাকা। সূর্য সেন হলের এক কর্মী মাসে ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং জসীমউদ্দীন হলের আরেক কর্মী ৬ হাজার ৫০০ টাকা মজুরি পাওয়ার কথা জানিয়েছে।

পাঁচ হলের দোকানমালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শিশু-কিশোরদের সাধারণত টেবিল পরিষ্কার, পানি দেওয়া, থালা-বাসন ধোয়া ও ঝাড়ু দেওয়ার মতো কাজ দেওয়া হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্য বা আত্মীয়স্বজনই শিশুদের কাজে পাঠান। দোকানমালিকেরা তাদের খাবার দেন এবং পরিবারের সদস্যের মতো দেখেন বলেও জানান। তবে কর্মস্থলে খাবার পাওয়া কিংবা মালিকের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকা শিশুদের শিক্ষা, বিশ্রাম ও নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত হওয়ার বিকল্প নয়।

অনুসন্ধানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলের ক্যান্টিন, মেস ও এক্সটেনশন এলাকার দোকানে কর্মরত শিশু-কিশোরদের নাম ও বয়স পাওয়া গেছে। হলভিত্তিক তালিকায় তাদের পরিচয় তুলে ধরা হলো।

শেখ মুজিবুর রহমান হলে কাজ করছে বাঁধন পাটোয়ারী (১৫), জাহিদুল ইসলাম জিম (১৩), রজব আলী (১৫), সাইদুল হক (১৬), মোহাম্মদ সাব্বির হাসান (১৭), আলিফ হোসেন (১৬) ও ইয়াসিন আরাফাত (১৭)।

জসীমউদ্দীন হলে কাজ করছে রাকিব হাসান (১৮), গোলাম রাব্বি (১৭), জুনায়েদ হোসেন রাজু (১৮) ও মোহাম্মদ শাওন (১৬)। হলের এক্সটেনশন এলাকায় রয়েছে মোহাম্মদ মহিউদ্দিন (১৬) ও সিয়াম হোসেন (১৮)।

জিয়া হলে কাজ করছে মোহাম্মদ শামীম (১৪), মোহাম্মদ সাকিব (১৮), আরিফুল ইসলাম সিয়াম (১৭), সিয়াম পাটোয়ারী (১৭), বিল্লাল হোসেন (১৬) ও আল-আমিন (১৮)। হলের এক্সটেনশন এলাকায় রয়েছে আশরাফুল হোসেন (১৪), মোহাম্মদ রিফাত (১৫) ও ইয়াকুব মিয়া (১৬)।

বিজয় একাত্তর হলের স্বাধীন বাংলা মেসে কাজ করছে মোহাম্মদ নাহিদ হোসেন (১৬) ও মোহাম্মদ জিহাদ হোসেন (১৭)। ক্যান্টিনে রয়েছে জিহাদ হোসেন (১৬) ও সৌরভ হোসেন শান্ত (১৬)। হলের এক্সটেনশন এলাকায় কাজ করছে জিহাদ হাসান (১৬), মোহাম্মদ জিহাদ (১৪) ও মোহাম্মদ তানভীর (১৫)।

মাস্টারদা সূর্য সেন হলে কাজ করছে মোহাম্মদ রাসেল (১৪), মোহাম্মদ রানা (১৬), মোহাম্মদ আরিয়ান (১৫), সজীব আহমেদ (১২) ও আব্দুল্লাহ আল তরীক (১৮)। হলের এক্সটেনশন এলাকায় রয়েছে নাজমুল হক নাহিদ (১৬), ফাহিম হোসেন (১৭), ইমরান হোসেন (১৪) ও ফাহিম হাসান (১৬)।

শহীদুল্লাহ হলে কাজ করছে ফরহাদ হোসাইন (১৪), মোহাম্মদ শিহাব (১৩), শাওন আহমেদ (১৫) ও শিহাব হোসেন (১৪)। হলের এক্সটেনশন এলাকায় রয়েছে তামিম গাজী (১৭), মোহাম্মদ শহীদ (১৬) ও ফজলুল কবির (১৫)।

ফজলুল হক হলে কাজ করছে রিশাদ হোসাইন (১৪), মোহাম্মদ সিফাত (১৬), জুনায়েদ মিয়া (১৩) ও শাকিল মারুফ (১৭)। অমর একুশে হলে রয়েছে মোহাম্মদ রাব্বি (১৫), দিদার হোসাইন (১৮) ও রিয়াদ হোসেন (১৬)।

এফ রহমান হলে কাজ করছে সাব্বির (১৭), রাহি (১৪), জামাল (১৮) ও শহিদ (১৬)। সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে রয়েছে জিসান (১৮), নোমান (১২), আজাদ (১৫), শামীম (১৫) ও তানভীর (১৮)।

হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে কাজ করছে মুবিন আলী (১৭), আলী হায়দার (১৪) ও মোহাম্মদ বেলাল (১৮)। শামসুননাহার হলের ক্যান্টিনে রয়েছে ইয়াছিন (১৬) ও ফয়সাল (১৭)।

কবি সুফিয়া কামাল হলের ক্যান্টিনে কাজ করছে নাঈম (১৬), ইসমাইল (১৪), মাহমুদুল (১৬), কাউসার (১৮), তোহাদ (১৫), রাকিব (১৮), ইয়াসিন (১৬) ও জিহাদ (১১)। রোকেয়া হলের ক্যান্টিনে রয়েছে আব্দুল্লাহ (১৭), আপন (১৮), আশিক (১৮), নূরনবী (১৮), শাহরিয়াদ (১৬), রাজন (১৬), হানিফ (১৫), অনিক (১৭), আশরাফুল (১৭), রাকিব (১৮) ও ইয়াসিন (১৭)।

বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের ক্যান্টিনে কাজ করছে ইয়াছিন (১৬)। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের ক্যান্টিনে রয়েছে রমজান (১৮)।

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এ শিশুকে কাজে নিয়োগের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা এবং কিশোর শ্রমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্তের বিধান রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। ফলে শিশুর বয়স, কাজের ধরন ও কর্মঘণ্টা যাচাইয়ের পাশাপাশি তার শিক্ষা ও নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করাও জরুরি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে ২০২৫-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের মধ্যে শিশুশ্রমের হার ৯ দশমিক ১ শতাংশ উল্লেখ করা হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের এ পরিসংখ্যানের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুসন্ধানী তথ্য সরাসরি তুলনীয় নয়। তবে এটি দেশে শিশুশ্রমের বিস্তৃত বাস্তবতা বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, “ক্যান্টিনে শিশু-কিশোরদের দিয়ে কাজ করানো এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সমর্থন করে না। এটি যদি হয়েই থাকে, কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। আগামী প্রভোস্ট মিটিংয়ে আমি এটি নিয়ে কথা বলব। আর সুস্পষ্ট কোনো অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল-ক্যান্টিন ও এক্সটেনশন এলাকার এসব শিশু-কিশোরের গল্প তাই কেবল শ্রমে যুক্ত কর্মীর সংখ্যা নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাদের শিক্ষা, নিরাপত্তা, স্বাভাবিক বিকাশ ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন। শৈশব যেন জীবিকার চাপে হারিয়ে না যায়, সে জন্য প্রয়োজন কার্যকর নজরদারি, পরিবারের সহায়তা এবং শিশুদের অধিকার রক্ষায় বাস্তব উদ্যোগ।

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল কুবি শিক্ষার্থী সুমন শেখের
  • ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই শিক্ষকের মারামারির ভিডিও ভাইরাল
  • ১৪ অক্টোবর ২০২৬
মহানবীকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে জাবিতে বিক্ষোভ, চার দফা দা…
  • ১৪ অক্টোবর ২০২৬
জেনেভা ক্যাম্পে পুলিশ-ডিবি-এপিবিএন-এসআরবির যৌথ অভিযান
  • ১৪ অক্টোবর ২০২৬
১৮ বছরে রেলের পেছনে ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা অপচয় হয়েছে: শে…
  • ১৪ অক্টোবর ২০২৬
পুনরায় ভেরিফিকেশন করে নিয়োগপত্র দেওয়ার আশ্বাস, কর্মসূচি স্থ…
  • ১৪ অক্টোবর ২০২৬