ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সাঈদ-উর রহমান আর নেই

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৬ PM
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় © ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. সাঈদ-উর রহমান বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম অধ্যাপক ড. সাঈদ-উর রহমান-এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। 

এক শোকবার্তায় উপাচার্য বলেন, তিনি নিষ্ঠাবান শিক্ষক ও গবেষক এবং বিশিষ্ট লেখক ও সাহিত্য চিন্তক ছিলেন। শিক্ষা ও গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। উপাচার্য মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মরহুম অধ্যাপক ড. সাঈদ-উর রহমানের নামাজে জানাজা আজ রবিবার বাদ-মাগরিব উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরের মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাঁকে উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের কবরস্থানে দাফন করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অধ্যাপক ড. সাঈদ-উর রহমান ১৯৪৮ সালের ২৬ মার্চ কুমিল্লা জেলার শিমপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৪ সালে কুমিল্লা জেলা স্কুল থেকে তিনি মাধ্যমিক এবং ১৯৬৬ সালে সিলেটের এমসি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৬৯ সালে তিনি বাংলায় স্নাতক (সম্মান) ও ১৯৭০ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৭৫ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৮০ সালে ফরাসি ভাষায় ডিপ্লোমা করেন। ১৯৯১ সালে তিনি বাংলা বিভাগে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। ‘পূর্ববাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন ও সমকালীন কবিতা’ শীর্ষক অভিসন্দর্ভের জন্য ১৯৭৯ সালে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

আরও খবর: শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কার

ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণে মধ্যযুগের সাহিত্য প্রসঙ্গে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনামূলক প্রবন্ধ রচনা করেছেন তিনি। এছাড়া বাংলাদেশের আর্থসামাজিক-রাজনৈতিক ইতিহাস ও মার্কসবাদ তাঁর আগ্রহের ক্ষেত্র ছিল।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো - চারু মজুমদার ও অন্যান্য প্রসঙ্গ (১৯৭৩), পূর্ববাংলার সাংস্কৃতিক আন্দোলন (১৯৮৩), পূর্ববাংলার রাজনীতি-সংস্কৃতি ও কবিতা (১৯৮৩) এবং এ কেমন বাংলাদেশ (১৯৯৮)। তাঁর সম্পাদিত বইয়ের মধ্যে আছে মার্কস ও মার্কসবাদীদের সাহিত্যচিন্তা (১৯৮৫)।

মুক্তিযোদ্ধাদের রাজনৈতিক প্রশিক্ষক হিসেবে ১৯৭১ সালে তিনি রণাঙ্গনে ছিলেন। ১৯৯২ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। গবেষণাকর্মের জন্য তিনি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন পুরস্কার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আবদুর রব চৌধুরী স্বর্ণপদক অর্জন করেন। 

২০০৩ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান। অধ্যাপক সাঈদ-উর রহমানের মৃত্যুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করা হয়েছে।

৫ কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়েছিলেন মাত্র ১৯ শিক্ষার্থী, সবাই ফেল…
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
আসছে সরাসরি ১০ হাজার কনস্টেবল ও ৪০০০ এসআই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, …
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
বাবাকে হারানোর পর থেমে যায় পড়ালেখা, ৫২ বছর বয়সে এইচএসসি পাস…
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ইংরেজিতে ফেল, এবার চলে গেলেন রাব্বিলও
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকায় ভর্তি কোচিং করতে গিয়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার সেই রাকিবুল …
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেল ১১ দলীয় ঐক্যের লংমা…
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬