ডাকসু সহঃ সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মুহাম্মদ মহিউদ্দিন খান © সংগৃহীত
ডাকসুকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক্সটেনশন বা বর্ধিত অংশ নয় বরং এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের প্ল্যাটফর্মের বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহঃ সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মুহাম্মদ মহিউদ্দিন খান। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরীফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এমনটা জানান তিনি।
সম্প্রতি ডাকসুর উদ্যোগে শিক্ষণ মূল্যায়ন চালু করাকে ক্ষমতা বহির্ভূত আখ্যা দিয়ে এ বিষয়ে ডাকসুর কাছে জবাবদিহিতা চাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ঢাবি প্রশাসন। পাশাপাশি এ প্রক্রিয়ায় জড়িত ডাকসু প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মহিউদ্দিন খান বলেন, ‘ঢাবি প্রশাসন একটা আলাপ হঠাৎ করেই হাজির করা শুরু করেছে যে ডাকসু প্যারালাল প্রশাসন হয়ে উঠতে চাইছে কি না!
তার মতে, এই স্লো পেসড প্রশাসন ডাকসুর মত ডায়নামিক একটা প্রতিষ্ঠানকে তার মত বনসাইয়ে পরিণত করতে চায়। সবশেষ শিক্ষণ মূল্যায়ন নিয়ে প্রশাসন এ মন্তব্য আবারও করেছে। প্রশাসন যদি মনে করে ডাকসু প্রশাসনের এক্সটেনশন হিসাবে কাজ করবে, যেভাবে তার লাঠিয়াল বাহিনীকে ব্যবহার করে সেভাবে ডাকসুকে ব্যবহার করবে তাহলে সেটা ভুল ভেবেছে। ডাকসু প্রশাসনকে 'জি হুজুর' বলার জন্য গঠিত কোন প্লাটফর্ম নয়, শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের প্লাটফর্ম। যে প্রশাসন শিক্ষার্থীদের অধিকার বুঝিয়ে দিতে কার্পণ্য করে তার সাথে ডাকসুর বিরোধ অনিবার্য ‘
বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামোর মধ্যে সিন্ডিকেটের কথা উল্লেখ করে ডাকসু এজিএস আরও বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সবার সিন্ডিকেট আছে, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী সবার। শিক্ষার্থীরা এই প্রত্যেক সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি। ডাকসু এই সিন্ডিকেটকে চ্যালেঞ্জ করে বলেই ডাকসুর বাজেট থাকেনা, পরবর্তী ডাকসু কবে হবে সে বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত থাকেনা।’
সবশেষ তিনি বলেন, ‘ঢাবি প্রশাসনের উচিত ইনসিক্যুরিটি থেকে বের হয়ে আসা। ‘প্যারালাল প্রশাসন’ টাইপ আলাপ আপনাদের প্রশাসনিক ব্যর্থতার প্রমাণ। ‘বাবা তোমরা তো বোঝো আমাদের প্রসেস মেনে যেতে হয়, সব করা যায়না’ টাইপ অসহায়ত্ব দেখায়ে আবার পজিটিভ ডেভলপমেন্টকে চ্যালেঞ্জ করা কেবল ইনসিকিউরড প্রশাসনের পক্ষেই সম্ভব।’