ঢাবির এক শিক্ষকের পড়ানোকে বিটিভির খবরের সাথে তুলনা করতাম, তার যোগ্যতা—চেয়ারম্যানের আত্মীয় 

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫ AM
মনিরা শারমিন

মনিরা শারমিন © টিডিসি সম্পাদিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষকের পড়ানোকে বিটিভির খবরের সঙ্গে তুলনা করার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। ওই শিক্ষকের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, উনি স্যুট টাই পড়ে এসে বসতেন, স্লাইড চলত পেছনে, উনি স্লাইড দেখে পড়তেন। যোগ্যতা? উনি চেয়ারম্যানের আত্মীয়। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক আেইডিতে দেয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। 

পোস্টে তিনি লেখেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে একটি স্বনামধন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় মাস্টার্স করেছি। সেখানে গিয়ে আমার প্রথমবারের মত মনে হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিস্টেম তো এমনই হওয়া উচিত! বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সারাবছরের একটা ক্যালেন্ডার থাকে। সেই টাইমলাইনে আপনি দেখতে পাবেন, আপনার সেমিস্টার ফাইনাল কবে, কতদিনের মধ্যে রেজাল্ট দিবে, কবে থেকে সেমিস্টার ব্রেক ইত্যাদি।

এনসিপি নেত্রী লেখেন, তিন মাস একটা করে সেমিস্টার। ফাইনাল পরীক্ষার সময় অথবা রেজাল্ট দেয়ার আগে একদিন টিচার ইভ্যালুয়েশন ফর্ম আমাদের ফিলাপ করতে হত। আমরা বলতাম, ওইদিন শিক্ষকদের পরীক্ষা। আমরা শিক্ষকদের মূল্যায়ন করতাম। প্রশ্ন থাকত মূলত তিন ধরনের। প্রথমত, শিক্ষকের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, অর্থাৎ তিনি কি উক্ত বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান রাখেন? দ্বিতীয়ত, প্রেজেন্টেশন পারফরম্যান্স। তার বক্তব্য কি শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করে? তার কথা কি ক্লিয়ার বোঝা যায়? তিনি কি বোঝাতে গিয়ে টেক্সটবুকের বাইরের উদাহরণ দেন? তৃতীয়ত, আপনি কি মনে করে এই শিক্ষককে পরবর্তীতে আবার ক্লাস দেয়া উচিত?

মনিরা শারমিন লেখেন, অথচ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্সে পড়ার সময় অনেক ক্লাস আমরা করতাম শুধু উপস্তিতির ৫ নাম্বারের জন্য। সেখানে শিক্ষক পছন্দ অপছন্দের কোন সুযোগই ছিল না। একজন শিক্ষকের কথা মনে আছে। তার পড়ানোকে আমরা বিটিভির খবরের সাথে তুলনা করতাম। উনি স্যুট টাই পড়ে এসে বসতেন, স্লাইড চলত পেছনে, উনি স্লাইড দেখে পড়তেন। যোগ্যতা? উনি চেয়ারম্যানের আত্মীয়।

তিনি আরও লেখেন, এই হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা। আমি দৃঢ়ভাবে মনে করি, শিক্ষক মূল্যায়নের সুযোগ থাকা উচিত। এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও জানেন। কারণ, তারাই যখন মোটা অংকের খামের বিনিময়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি শিক্ষক বনে যান, তখন তারা এই শিক্ষক মূল্যায়ন ফর্ম নিয়ে শিক্ষার্থীদের পিছে পিছে ঘোরেন। তবে এটি হওয়া উচিত, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালার মধ্যে থেকে। কিন্তু যতদিন এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে হচ্ছে না, ডাকসুর উদ্যোগে হোক! খারাপ কি! অন্তত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীরাও শিক্ষক মূল্যায়নের সুযোগ পাক!

বাংলাদেশ-চীনের হুবেই প্রদেশের মধ্যে শিক্ষার্থী বিনিময়, শিক্…
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬
টয়োটার প্রথম প্রাইভেট কারে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬
একই সফটওয়্যারে তিন অধিদপ্তরের অধীন কর্মরত শিক্ষকদের বদলির ফ…
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ছাত্র আহত হওয়ার পর মহাসড়ক অবরোধ, ফুটওভার ব্রিজ চান তা’মীরুল…
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬
‎চাকরিতে আবেদনের বয়স ৪০ করার দাবিতে নারী শিক্ষার্থী সমাবেশে…
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬
জুনিয়র অফিসার নিয়োগ দেবে ট্রান্সকম ইলেকট্রনিকস, আবেদন ২৭ ন…
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬