১৭ মাসের সন্তানের জীবন বাঁচাতে সহায়তা চান রাবি শিক্ষার্থী মিতু

০৫ মে ২০২৬, ০৯:১৯ PM
রাবি শিক্ষার্থী মিতু ও ১৭ মাস বয়সী সন্তান

রাবি শিক্ষার্থী মিতু ও ১৭ মাস বয়সী সন্তান © টিডিসি ফটো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাজিয়া সুলতানা মিতুর ১৭ মাস বয়সী একমাত্র সন্তান বিরল ও জটিল জেনেটিক রোগে আক্রান্ত। সন্তানের জীবন বাঁচাতে এখন সমাজের বিত্তবানদের সহায়তা কামনা করছেন এই মা। শিশুটির নাম শুদ্ধ। সে জন্মগ্রহণ করে ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর।  তার বাবা আকিব হোসাইন শুভ। তিনি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করছেন।

পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শিশুটি স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রফি (এসএমএ) টাইপ-২ নামের একটি বিরল জেনেটিক রোগে ভুগছে। এই রোগে শরীরের পেশী নিয়ন্ত্রণকারী স্নায়ুগুলো ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে আক্রান্ত শিশু স্বাভাবিকভাবে বসা, দাঁড়ানো কিংবা হাঁটার মতো মৌলিক কাজগুলো করতে পারে না। অনেক ক্ষেত্রে শ্বাস নেওয়া ও খাবার গিলতেও সমস্যা দেখা দেয়।

ইতোমধ্যে শিশুটির শ্বাস নিতে কষ্ট শুরু হয়েছে এবং তার মেরুদণ্ড বাঁকা হয়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিচ্ছে বলে জানিয়েছে পরিবার। চিকিৎসকদের মতে, দ্রুত চিকিৎসা শুরু না হলে শিশুটির অবস্থা আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

এই রোগের কার্যকর চিকিৎসা হিসেবে একটি এককালীন জিন থেরাপি ইনজেকশন রয়েছে, যা দুই বছরের মধ্যে প্রয়োগ করা গেলে শিশুটি অনেকটাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে। তবে এই চিকিৎসার খরচ অত্যন্ত ব্যয়বহুল। সম্প্রতি চীনে উৎপাদিত ‘ভেসেমনোজিন’ নামের একটি ইনজেকশনের মাধ্যমে চিকিৎসা সম্ভব হলেও এর মূল্য প্রায় ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

শিশুটির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের ভিত্তিতে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান খরচ কমিয়ে ৭৫ লাখ টাকায় চিকিৎসা দিতে সম্মত হয়েছে। কিন্তু এই বিপুল অর্থ জোগাড় করা পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শিশুটির বাবা মো. আকিব হোসেন শুভ বলেন, গত ১২ মার্চ আমরা পিডিয়াট্রিক নিউরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. গোপেন কুমার কুন্ডুকে দেখাই। তিনি এসএমএন সন্দেহ করে পরীক্ষা করতে দেন। ১৪ মার্চ ইন্ডিয়াতে স্যাম্পল পাঠানো হয়। মার্চের ২৬ তারিখ রিপোর্ট আসে। তখন এই রোগটার বিষয়ে পজিটিভ জানতে পারি আমরা। পিজি হাসপাতালে ভর্তি করাই। বর্তমানে শিশুটির শ্বাস নিতে সমস্যা শুরু হয়েছে এবং মেরুদন্ড বাঁকা হতে শুরু করেছে।

তিনি বলেন, আমার বাচ্চাটাকে বাঁচানোর জন্য আমরা ফান্ড কালেকশন করছি। তবে সে রকম কিছুই এখনো কালেকশন হয়নি। আপনারা যদি কিছু সহযোগিতা করেন আমার বাচ্চাটাকে বাঁচানো সম্ভব হবে।

সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন মা রাজিয়া সুলতানা মিতু। 

তিনি বলেন, প্রতিদিন আমার সন্তানের দিকে তাকিয়ে মনে হয় সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে। আমি শুধু চাই আমার সন্তানটা বাঁচুক, একটু হাসুক, স্বাভাবিকভাবে বড় হোক। আপনাদের সাহায্য ছাড়া এটা সম্ভব না।

সহায়তা পাঠানোর মাধ্যম—

বিকাশ : ০১৭২৭৪৬২০২১, ০১৭৫০৫৯১৯৯৮, ০১৯২১৮৪২৪৪০, ০১৭৩৫২৬৬৫৩৭
নগদ : ০১৭২৭৪৬২০২১, ০১৭৫০৫৯১৯৯৮, ০১৯২১৮৪২৪৪০, ০১৭৩৫২৬৬৫৩৭
রকেট : ০১৭২৭৪৬২০২১-৯, ০১৭৫০৫৯১৯৯৮-৩, ০১৯২১৮৪২৪৪০-০, ০১৭৩৫২৬৬৫৩৭-৪

ব্যাংক হিসাব : স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, গুলশান শাখা
হিসাবের নাম : মো. আকিব হোসেন শুভ
হিসাব নম্বর : ১৮৭১৪৬৩১৮০১
রাউটিং নম্বর : ২১৫২৬১৭২৬

মাদক ট্যাপেন্টাডলসহ রাবি ছাত্রদল নেতা হাসিব আটক
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
নিশিডাক এবং প্রাচীর থেকে কথা: আল মাহমুদের কবিতায় শেখ মুজিবে…
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বেগম জিয়া ছিলেন অকুতোভয় বীর সিপাহসালার…
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
বেগম জিয়ার জন্মদিনে এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে ছাত্রদলের খাবার…
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
বিচার না হওয়া পর্যন্ত আপসে রাজি নয় জবি শিবির-ছাত্রশক্তি
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
যতদিন গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকবে, বেগম জিয়ার নাম মর্যাদ…
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬