শাটল ট্রেনের বগি বৃদ্ধিসহ ১১ দফা দাবি চবি শিক্ষার্থীদের

২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৮ PM
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি © টিডিসি

শাটল ট্রেনের বগি বৃদ্ধি, নতুন ট্রেন চালু ও নিরাপত্তা জোরদারসহ ১১ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। দাবি পূরণে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়ে তা বাস্তবায়ন না হলে কঠোর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুর একটার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শেষে এসব দফা পেশ করেন বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) যোগাযোগ ও আবাসন সম্পাদক ইসহাক ভূঞা।

অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের হাতে ‘শাটলে ঢিল ছুড়ে, প্রশাসন ঝিম মারে’, ‘শাটলের নিরাপত্তা, নিশ্চিত কর করতে হবে’, ‘ছাত্র মরে গরমে, ভিসি থাকে এসিতে’, ‘প্রক্টর থাকে এসিতে, ছাত্র মরে গরমে’ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

শিক্ষার্থীদের ১১ দফা দাবি
১. বন্ধ হয়ে যাওয়া ডেমো ট্রেনের স্থলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থী সংখ্যার সঙ্গে সংগতিপূর্ণভাবে অন্তত আরও একটি নতুন ট্রেন চালু করতে হবে। যাতে অতিরিক্ত ভিড় কমে ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হয়।

২. শুধু একটি রুটে শাটল ট্রেন পরিচালনার ফলে বারবার ক্রসিং জটিলতা ও সময় অপচয় রোধে দ্বৈত লাইন চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। 

৩. শাটলে ভিড় কমাতে বিদ্যমান ২টি ট্রেনে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বগি সংযোজন করতে হবে।

৪. শিডিউল বিপর্যয় রোধে ট্রেন নির্ধারিত সময়ে চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি যেকোনো জরুরি পরিবর্তনের আগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের আগেই অবহিত করতে হবে।

৫. শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২টি শাটলের প্রতিটি বগিতে নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ করতে হবে।

৬. প্রতিটি ট্রেনে কার্যকর পাওয়ার কার, লাইট ও ফ্যান সচল রাখা এবং বৈদ্যুতিক সুবিধার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। 

৭. বিদ্যমান ট্রেনগুলোর যান্ত্রিক সক্ষমতা পর্যালোচনা করে গতি বৃদ্ধির প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৮. বগিগুলোর ফ্লোরের গর্ত, ভাঙা জানালা, দরজা ও সিটসমূহ দ্রুত মেরামত করতে হবে। পাশাপাশি ট্রেনগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, যান্ত্রিক ত্রুটি চিহ্নিতকরণ ও প্রতিকার নিশ্চিত করতে হবে। 

৯. প্রতিটি স্টেশনে যথাযথ আলোকসজ্জা, পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা জোরদার, শিক্ষার্থীদের চলাচল সহজ করতে সুশৃঙ্খল প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা।

১০. বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনসহ শাটল রুটে থাকা অন্যান্য স্টেশনগুলোর প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য বর্ধিত করে এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে ট্রেনের সমস্ত কোচ প্ল্যাটফর্মে ওঠে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপদভাবে ওঠা-নামার সুযোগ হয়।

১১. বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনসহ প্রতিটি স্টেশনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও কার্যকর নজরদারি ব্যবস্থা করা, ট্রেন ও স্টেশন এলাকায় প্রতিদিনের নিয়মিত টহল ও রেলওয়ে পুলিশের তৎপরতা বৃদ্ধি করা।

দাবি শেষে ইসহাক ভূঞা বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে শাটল ট্রেনের নানা সমস্যার কথা প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেছি। কিন্তু সেগুলোর সমাধান আলোচনার মাধ্যমে আসেনি। তাই আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছি। আমাদের দাবিগুলো আগামী রবিবার দুপুর ১২টার মধ্যে মেনে না নিলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাব।’

কুবিতে ঘন ঘন লোডশেডিং, শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
নার্সিং অধিদপ্তর থেকে সরানো হল আনোয়ার আকন্দকে
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন নুসরাত তাবাসসুম
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
শিক্ষকদের উৎসব ভাতা নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অসম্মতিপত্র দেখু…
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি, পদ ৭৫, আবেদন শুরু…
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
ঈশ্বরদী সরকারি কলেজে শিবির-ছাত্রদলের তুমুল সংঘর্ষ, কার্যালয়…
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬