চাকসু নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে চবিতে মানববন্ধন

৩১ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৬ PM
চবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধনে চাকসুর নেতারা

চবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধনে চাকসুর নেতারা © টিডিসি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ক্যাফেটেরিয়া ও পাঠাগার সম্পাদক মাসুম বিল্লার ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন হয়েছে। এতে জড়িতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের এবং বহিরাগতমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন করে চাকসু নেতারা। 

মানববন্ধনে ‘মাসুম ভাইয়ের রক্ত ঝরে, প্রশাসন কী করে?’; ‘আমার ভাই আহত কেন? প্রশাসন জবাব চাই’; ‘এই মুহূর্তে দরকার, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

মানববন্ধনে চাকসুর সহদপ্তর সম্পাদক জান্নাতুল আদন নুসরাত বলেন, এ ঘটনার সূত্রপাত গত ৪ তারিখের। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে শিক্ষার্থীদের সমঝোতার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং সেখানে মাসুম বিল্লা সমাধানের ভূমিকা রাখেন। এর জের ধরে সন্ত্রাসীরা তাকে চিহ্নিত করে রাখে এবং পরবর্তী সময়ে গতকাল রাতে তার ওপর বর্বর হামলা চালায়।

 তিনি অভিযোগ করেন, এ ধরনের সমঝোতা শিক্ষার্থীরা কেন করবে, এটি প্রশাসনের দায়িত্ব। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ঘটনার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে প্রশাসনের কোনো দৃশ্যমান তৎপরতা নেই।

চাকসু এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক বলেন, ‘মাসুম বিল্লার ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। ৫ আগস্টের পর সংঘটিত একাধিক সন্ত্রাসী ঘটনার কোনো সুষ্ঠু সমাধান করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাবে সন্ত্রাসীদের ছেড়ে দেওয়া হয়।’

তৌফিক আরও বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দুর্বল নয়। শিক্ষার্থীদের কোনো সমস্যা হলে আমরা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করব।’ একই সঙ্গে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি এবং দ্রুত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি বলেন, আগে একাধিকবার শিক্ষার্থীরা হামলার শিকার হলেও তদন্তের আশ্বাস দেওয়া ছাড়া দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সর্বশেষ মাসুম বিল্লার উপর হামলার ঘটনার ১৭-১৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ না থাকায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষে বহু শিক্ষার্থী হতাহত হলেও হামলাকারীদের অনেকেই চিহ্নিত থাকার পরও তাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি; বরং ঈদের পর সেই সব ব্যক্তির বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দেখা গেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

হাটহাজারী থানার প্রশাসনের প্রতি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে রনি বলেন, অন্যথায় শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি জানান, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে প্রশাসনকে তাদের সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হবে।

উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ একটি দুর্ঘটনার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের হয়ে সমঝোতা করেছিলেন চাকসুর পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ। এ ঘটনায় জেরে তার ওপর হামলা করা হয় বলে জানা গেছে।

শিক্ষকদের বদলি নিয়ে বড় সুখবর দিলেন মাউশি ডিজি
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেশনাল মাস্টার্সে ভর্তির আবেদনের…
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
ইবির ওরিয়েন্টেশনে নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ 
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
দেশের প্রথম ফার্মাসিউটিক্যাল বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিষয়ক…
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
নেত্রকোনায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু 
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
ব্রহ্মপুত্র নদে ভাসছিল পুলিশ সদস্যের বাবার লাশ 
  • ০১ আগস্ট ২০২৬