চবিতে আঞ্চলিক মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:২৭ PM , আপডেট: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৪৩ PM
চবিতে আঞ্চলিক মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা

চবিতে আঞ্চলিক মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা © টিডিসি ফটো

দ্যা নেটওয়ার্ক ফর ইন্টারন্যাশনাল ‘ল’ স্টুডেন্টস- নিলসের আয়োজনে পঞ্চমবারের মতো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) আঞ্চলিক মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি)  চবির আইন অনুষদে এই আয়োজন  অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজকরা জানান, আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও ল' কলেজের নবীন আইনজীবী প্রার্থীদের জন্য একটি যুক্তিভিত্তিক লিখিত ও মৌখিক উপস্থাপনার মাধ্যমে বক্তৃতার দক্ষতা বৃদ্ধি ও  বুদ্ধিবৃত্তিক কুশলতা অর্জনের সুযোগ প্রদান।

এ প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রামের প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয় ও ‘ল’ কলেজের শিক্ষার্থীদের বিপুল অংশগ্রহণ মুটিং সংস্কৃতির ক্রমবর্ধমান প্রভাবের স্পষ্ট প্রমাণ বহন করছে।

এতে  প্রধান অতিথি হিসেবে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের জেলা জজ মোহাম্মদ সরওয়ার আলম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মুহিউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও বিচারক হিসেবে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষক নাজমুল আলম আশিক, তানজিলা আহমেদ, তারিন হাসান, এ. এস এন্ড অ্যাসোসিয়েটসের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট জারিফ উল্লাহ হেমেল, বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ফাহিমা আক্তার মজুমদার, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ‘ল’ সোসাইটি মুটিং এন্ড ডিবেটিং ক্লাবের হাবিবা খাতুন রিতু, চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মুট কোর্ট সোসাইটির জিএস  মনিরুল ইসলাম, নিলস বাংলাদেশের সভাপতি ফজলে রাব্বি তাওহিদ, জিএস ইতমিনান মনির বাসিলিস উপস্থিত ছিলেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের জেলা জজ  মোহাম্মদ সরওয়ার আলম প্রধান অতিথির বক্তব্যে  বলেন, মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক জ্ঞানকে প্রায়শই কল্পনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখার পরিবর্তে বাস্তব জীবনের প্রয়োগে রূপান্তর করার এক অনন্য সিড়ি। এটি কেবল বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনা ও আইনি গবেষণার দক্ষতা গড়ে তোলেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রভাবশালী বিতর্ক ও যুক্তি প্রদানের কলাকে শানিত করার মঞ্চও প্রদান করে, যা একজন প্রগাঢ় এবং সক্ষম আইনজীবীর ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিশেষ অতিথি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, যেখানে চট্টগ্রাম অঞ্চলে মুটিং-এর সুযোগ সীমিত, সেখানে এই ধরনের প্রতিযোগিতা দারুন ভূমিকা পালন করে। এটি আইন বিষয়ক গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আইনি চর্চার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করে তাদের দক্ষতা উন্নত করেছে এবং চট্টগ্রামে মুট কোর্টের সংস্কৃতি সুদৃঢ় করতে সাহায্য করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম ভেরিতাস ভিনসিতের নাম ঘোষণা করা হয়। এ দলের সদস্যরা হলেন- রিদিতা রাব্বি, সাদিবা জাহান, ইভান হাসান, আব্দুল খায়র)। অন্যদিকে রানার-আপ হয় সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের টিম লুবধক। এ দলের সদস্যরা হলেন- ফারিহা বিনতে আলম, নাহিদা আরাবি, মো. মনজুরুল ইসলাম, কিবরিয়া নূর।

এছাড়াও এতে বেস্ট মুটার অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে  সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের শিক্ষার্থী নাহিদা আরাবি, মোস্ট প্রমিসিং লয়ার এওয়ার্ড পায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফারিহা তাসনিম রুহি। বেস্ট রিসার্চার অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত হন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. রেফাত আলী এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাহামুদুল হাসান। বেস্ট মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড পাযন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিভার্সাল আনভেইলারসের মাহামুদুল হাসান, ফারিহা তাসনিম রুহি, সায়মা আক্তার ইস্পাত, ইলতেজা তাবাসসুম তাকিয়া।

সুজানগরে জামায়াতের মহিলা কর্মীদের বাধা ও মারধরের অভিযোগ
  • ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৯ মার্চ আসবে পাকিস্তান, মিরপুরেই সব ম্যাচ
  • ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জামায়াত আমিরকে ভোট দিতে চান ৩৯.৫% ভোটার, মিল্টনকে কত?
  • ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপি প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে এবার আপিল বিভাগে আবে…
  • ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিশ্বকাপ স্কোয়াডে পরিবর্তন আনল শ্রীলঙ্কা
  • ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর ভাষাণটেক অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ডা. জোবাই…
  • ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬