রুপাইয়ার অভিযোগকে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্টের ষড়যন্ত্র বলছে শিবির

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:৩৫ PM
সাদিক কায়েম ও রুপাইয়া শ্রেষ্ঠা তঞ্চঙ্গ্যা

সাদিক কায়েম ও রুপাইয়া শ্রেষ্ঠা তঞ্চঙ্গ্যা © টিডিসি সম্পাদিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলাকালে টিএসসি কেন্দ্রের ক্যাফেটেরিয়া কক্ষে আগ থেকেই ব্যালটে ‘ক্রস’ চিহ্ন দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্যের ক্যারিয়ার উন্নয়ন সম্পাদক পদপ্রার্থী রুপাইয়া শ্রেষ্ঠা তঞ্চঙ্গ্যা। তার এক বান্ধবী ওই ব্যালটটি পেয়েছিলেন বলে তার অভিযোগ। তবে শিবির সমর্থিত প্যানেল বলছে, এটি নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে করা একটি ষড়যন্ত্র।

রুপাইয়া শ্রেষ্ঠপ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাংবাদিকদের জানান, তিনি ও তার এক বান্ধবী একসঙ্গে ভোট দিতে যান। ভোটকেন্দ্রের এক নম্বর টেবিল থেকে বান্ধবীকে যে ব্যালট দেওয়া হয়, সেটিতে আগেই ক্রস চিহ্ন দেওয়া ছিল শিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম এবং সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এস এম ফরহাদের নামের পাশে। বিষয়টি নিয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পোলিং কর্মকর্তাদের অবহিত করলে কর্মকর্তারা জানান, এটি ওই শিক্ষার্থীর ভুলও হতে পারে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত পোলিং কর্মকর্তা রুমানা পারভীন এ্যানী বলেন,ওই শিক্ষার্থী ব্যালট নিয়ে বুথে প্রবেশ করে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বেরিয়ে এসে অভিযোগ করেন। অভিযোগের পর আমরা সব ব্যালট পেপার পরীক্ষা করেছি, কিন্তু কোথাও কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরে অভিযোগকারীকে একটি নতুন ব্যালট দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি শিক্ষার্থীর ভুলও হতে পারে।

তিনি আরো জানান, সকালে ব্যালট বাক্স খোলা ও সিলগালা করার সময় বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা, পোলিং এজেন্ট এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সবার সামনে ব্যালট বিতরণ হওয়ায় কোনো ধরনের ব্যত্যয় ঘটার সুযোগ নেই।

অন্যদিকে শিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম অভিযোগটিকে ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে বলেন, একটা পক্ষ নির্বাচনি প্রক্রিয়া বানচালের চেষ্টা করছে। একুশে হলে ছাত্রদলের পক্ষে ক্রস চিহ্ন দেওয়া ব্যালট পাওয়ার খবর শোনা গেছে, এখন টিএসসিতেও একই অভিযোগ উঠছে। আমরা চাই, এ ধরনের কাজে যে-সব কর্মকর্তা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় টিএসসি কেন্দ্রের রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. নাসরিন সুলতানা সাংবাদিকদের বলেন, অভিযোগটি আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। প্রতিটি বুথ সিসিটিভির আওতায় রয়েছে। শিক্ষার্থী বুথে প্রবেশ করার পর অভিযোগ করায় বিষয়টি স্পষ্টভাবে যাচাইয়ের জন্য ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

তিনি আরও বলেন, অভিযোগকারী ব্যালট হাতে নিয়েই অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান সম্ভব হতো। কিন্তু বুথে প্রবেশ করার পর ফিরে এসে অভিযোগ করার সুযোগ নেই। তারপরও তাকে নতুন ব্যালট দেওয়া হয়েছে। ভোটকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য এমন অভিযোগ আনা হতে পারে।

ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে দুপুরে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে কর্মকর্তারা তাকে আশ্বস্ত করেন যে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জোট থেকে এনসিপির বের হওয়া নিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধ্বস, নিহত বেড়ে ১৫০
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
নেপালে ভয়াবহ বন্যায় শোক জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
লোডশেডিংয়ে অতিষ্ট হয়ে উপাচার্য বাসভবন অভিমুখে সিকৃবি শিক্…
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
স্কলারশিপে স্নাতকোত্তর-পিএইচডির সুযোগ জাপানে, করুন আবেদন
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
২৭ লাখ টাকায় নির্মিত টয়লেট, ব্যবহার করা যায়নি এক দিনও
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬