পিএইচডি ডিগ্রি অনুমোদন কীভাবে হয় জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল

০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০২:২৯ PM

© ফাইল ফটো

সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি ও সমমানের ডিগ্রি অনুমোদন করা হয় কীভাবে, তা অনুসন্ধান করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) তিন মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে ‘ঢাবির শিক্ষকের পিএইচডি গবেষণার ৯৮ শতাংশ নকলের’ বিষয়টি তদন্ত করে ৬০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে। এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

আদালতে রিটকারী আইনজীবী মো. মনিরুজ্জামান নিজেই শুনানি করেন। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

ঢাবি শিক্ষকের পিএইচডি গবেষণার ৯৮ শতাংশ নকল এমন তথ্য দিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন ছাপা হয়। ৯৮ শতাংশ হুবহু নকল পিএইচডি গবেষণা অভিসন্দর্ভের (থিসিস) মাধ্যমে ডক্টরেট ডিগ্রি নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবুল কালাম লুৎফুল কবীর।

এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন যুক্ত করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে ২৬ জানুয়ারি রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মনিরুজ্জামান। পরে গত ২৮ জানুয়ারি ওই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

পিএইচডি বা সমমানের ডিগ্রি অর্জনের ক্ষেত্রে জালিয়াতি রোধে থিসিসের প্রস্তাব চূড়ান্ত করার আগে আইসিটি বিশেষজ্ঞ নিয়োগের মাধ্যমে থিসিস প্রস্তাব যাচাইয়ে পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। শিক্ষা সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গবেষণায় নকলের বিষয়টি নজরে আসার পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে একজন গবেষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের লিখিত অভিযোগ করেন। এ ছাড়া লুৎফুল কবীরের অভিসন্দর্ভে নিজের গবেষণা থেকে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি চিঠি দিয়েছেন সুইডেনের গোথেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জোনাস নিলসন।

২০১৪ সালের দিকে ‘টিউবারকিউলোসিস অ্যান্ড এইচআইভি কো-রিলেশন অ্যান্ড কো-ইনফেকশন ইন বাংলাদেশ: অ্যান এক্সপ্লোরেশন অব দেয়ার ইমপ্যাক্টস অন পাবলিক হেলথ’ শীর্ষক নিবন্ধের কাজ শুরু করেন আবুল কালাম লুৎফুল কবীর। তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ওষুধপ্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আবু সারা শামসুর রউফ। সহ-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক।

জানা গেছে, দেড় বছরের মাথায় ২০১৫ সালে অভিসন্দর্ভের কাজ শেষ করে ফেলেন লুৎফুল কবীর। একটি পিএইচডি অভিসন্দর্ভের কাজ শেষ করার জন্য সাধারণত তিন থেকে সাড়ে তিন বছর লাগে।

কিন্তু দ্রুত কাজ শেষ করে প্রথমে সহ-তত্ত্বাবধায়কের স্বাক্ষর ছাড়াই ডিগ্রির জন্য অভিসন্দর্ভটি জমা দেন লুৎফুল কবীর। সহ-তত্ত্বাবধায়কের স্বাক্ষর না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবন থেকে তা ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

পরে লুৎফুল কবীর গবেষণার সহতত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ফারুককে অনুনয়-বিনয় করে তাঁর কাছ থেকে স্বাক্ষর নিলে ২০১৫ সালেই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটে তা অনুমোদিত হয়।

শিক্ষকদের ঈদ বোনাস ও মে মাসের বেতন নিয়ে নতুন নির্দেশনা মাউশ…
  • ১৩ মে ২০২৬
‎জাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের প্রশ…
  • ১৩ মে ২০২৬
তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন সভাপতি মাহিন, সাধারণ সম্প…
  • ১৩ মে ২০২৬
সমালোচনার মুখে সিদ্ধান্ত বদলালেন বিজয়
  • ১৩ মে ২০২৬
পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন, বরাদ্দ ৩৪ হাজ…
  • ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ইবি ছাত্রদল নেতার
  • ১৩ মে ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SUMMER 2026
Application Deadline Wednesday, May 13, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9