ওয়েবিনারে বিশেষজ্ঞদের মত

প্রযুক্তি-নির্ভর লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা মোকাবিলায় নীতিগত পদক্ষেপ ও সচেতনতা জরুরি

১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৯ PM , আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ AM
অধ্যাপক ড. সাদিয়া নূর খান ও অধ্যাপক ড. সৈয়দ শায়খ ইমতিয়াজ

অধ্যাপক ড. সাদিয়া নূর খান ও অধ্যাপক ড. সৈয়দ শায়খ ইমতিয়াজ © সৌজন্যে প্রাপ্ত

প্রযুক্তি-নির্ভর লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা নারীদের সামাজিক, মানসিক ও অর্থনৈতিক জীবনে গভীর ক্ষতি করছে। এই সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কার্যকর নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ জরুরি বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

‘ফ্রম স্ক্রিনস টু স্কার্স: আনভেইলিং দ্য ডাইনামিক্স অব টেকনোলজি-ফ্যাসিলিটেটেড জেন্ডার-বেসড ভায়োলেন্স’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে এই মত দেন বিশেষজ্ঞরা।

আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাত ৮টায় অনলাইনে এই ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়৷

দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশন এবং ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও)-এর সহায়তায় বাস্তবায়িত ‘অনলাইন ক্যাম্পেইন অন টেকনোলজি ফ্যাসিলিটেটেড জেন্ডার বেসড ভায়োলেন্স (টিএফজিবিভি)’ প্রকল্পের আওতায় অ্যাকশনিস্ট ফাউন্ডেশন এই ওয়েবিনারের আয়োজন করেন।

ওয়েবিনারটির সঞ্চালনা করেন অ্যাকশনিস্ট ফাউন্ডেশনের ফেলো এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাদিয়া নূর খান।

আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ শায়খ ইমতিয়াজ।

ড. সাদিয়া নূর খান বলেন, বর্তমানে অনেক নারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে ক্যারিয়ার ও ব্যবসা গড়ে তুলছেন এবং অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তবে অনলাইন হ্যারাসমেন্ট, অপমানজনক মন্তব্য ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের কারণে অনেক নারী বাধ্য হয়ে তাদের ব্যবসা বা পেশাগত কার্যক্রম বন্ধ করে দিচ্ছেন, যা ব্যক্তি ও সমাজ—উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর।

আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিষয়টি তুলে ধরে ড. সৈয়দ শায়খ ইমতিয়াজ বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশেই প্রযুক্তি-নির্ভর লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা একটি গুরুতর সমস্যা। 

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে ডিজিটাল লিটারেসি বলতে মূলত প্রযুক্তি ব্যবহারের কৌশল শেখানো হয়; কিন্তু প্রযুক্তিকে কীভাবে জেন্ডার-সংবেদনশীল ও নারী-বান্ধবভাবে ব্যবহার করা যায়—সে বিষয়ে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বা কাঠামোবদ্ধ আলোচনা নেই।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অনেক দেশে অনলাইন সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতা এবং প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর।

সরকার ও সমাজের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি আইন প্রয়োগে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন। 

তিনি বলেন, অভিযোগ জানাতে গিয়ে নারীরা মানসিক দ্বিধা, পারিবারিক অনীহা, সামাজিক ভিক্টিম ব্লেমিং এবং আইনি প্রতিকারের অনিশ্চয়তাসহ একাধিক স্তরের বাধার মুখে পড়েন, যা দূর করা জরুরি।

ওয়েবিনার থেকে প্রযুক্তি-নির্ভর লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে নীতিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানানো হয়। 

আয়োজকরা বলেন, এই প্রকল্পের কার্যক্রম আগামী মার্চ মাসজুড়ে চলমান থাকবে।

চলতি বছর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মিড ডে মিল পাবে…
  • ০৪ জুন ২০২৬
প্রাথমিক শিক্ষা যতক্ষণ সবলভাবে দাঁড়িয়ে আছে, ততক্ষণ সবল বা…
  • ০৪ জুন ২০২৬
ঈদযাত্রায় সড়কে প্রাণ গেছে ২৮১ জনের, বেশি মোটরসাইকেলে
  • ০৪ জুন ২০২৬
মায়ের সঙ্গে অভিমান করে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
  • ০৪ জুন ২০২৬
মাদ্রাসার সংশোধিত বদলি নীতিমালা প্রকাশ, দেখুন এখানে
  • ০৪ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিল জিতবে না হারবে জানিয়ে দিল হ…
  • ০৪ জুন ২০২৬