কারিগরি শিক্ষকদের বদলি হবে কয়েক ধাপে, আবেদন নিয়ে কী বলছে কর্তৃপক্ষ?

৩০ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪২ PM , আপডেট: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১০ PM
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। © ফাইল ছবি

বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলিতে প্রথম ধাপেই বড় সংখ্যক আবেদন পড়তে পারে। আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হওয়ার আশঙ্কায় একসঙ্গে সবাইকে বদলি না করে কয়েক ধাপে এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। বদলির জন্য ইমেইল নেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৯০০টির বেশি ইমেইল এড্রেস পাঠিয়েছেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। তবে সব প্রতিষ্ঠানের ই মেইল এখনো পাওয়া যায়নি।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (এমপিও) মোহাম্মদ আবু সাঈম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, বদলির জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা প্রথম ধাপেই অনেক বেশি হতে পারে। ফলে কয়েক ধাপে বদলি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলোর ই-মেইল তৈরি ও তথ্য দেওয়ার যে সময়সীমা দেওয়া হয়েছে, সেটি বাড়ানো হবে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়া না গেলেও পরবর্তী সময়ে তা সংগ্রহ করা হবে।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় ২২ হাজার ৩০৪ জন শিক্ষক রয়েছেন। এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৯০০টির বেশি ইমেইল এড্রেস পাঠানোর তথ্য এসেছে। তবে এটি চূড়ান্ত সংখ্যা নয়।

কারিগরি শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব ই-মেইল অ্যাড্রেস তৈরি করতে বলা হয়েছে। গত ২৭ আগস্ট কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের দেওয়া নির্দেশনায় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব ই-মেইল তৈরি করে ৩০ আগস্টের মধ্যে অধিদপ্তরকে তা জানাতে বলা হয়।

অধিদপ্তরের নোটিশে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের গত ২০ মের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির জন্য ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এই নীতিমালার আলোকে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ই-মেইল প্রয়োজন হবে।

মোহাম্মদ আবু সাঈম বলেন, প্রথম ধাপে কতজনের আবেদন পড়বে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। তবে আবেদনকারীর সংখ্যা বড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে কয়েক ধাপে বদলি কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

বদলির আবেদন শুরু হলে শিক্ষকরা তাঁদের তথ্য দিয়ে অনলাইনে প্রবেশ করে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা ট্রেডের কোথায় শূন্য পদ রয়েছে, তা দেখতে পারবেন। পছন্দের প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট পদ খালি থাকলে সেখানে বদলির জন্য আবেদন করার সুযোগ থাকবে।

বদলি হলে একটি প্রতিষ্ঠানে তৈরি হওয়া শূন্য পদও পরবর্তী বদলি কার্যক্রমে সমন্বয় করা হবে। কোনো শিক্ষক এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে গেলে তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদটি নতুন করে শূন্য হবে। ওই পদে অন্য কোনো শিক্ষক বদলি হতে চাইলে সফটওয়্যারের মাধ্যমে তা সমন্বয় করার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।

অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে শূন্য পদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়ার পর বদলির সফটওয়্যারভিত্তিক আবেদন প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে। এরপর আবেদনকারীর সংখ্যা ও শূন্য পদের পরিমাণ বিবেচনায় নিয়ে ধাপে ধাপে বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

রাতে সচিবালয়ের পাশে ককটেল বিস্ফোরণ
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঞ্জুরুল–জোবায়েরের নেতৃত্বে ইউআইটিএস সেন্ট্রাল ডিবেট ক্লাবে…
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আটকের আগে অপ্রীতমকে নিয়ে যে পোস্ট দিয়েছিল আনাস
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘অপ্রতিমের বয়স তেরো, এই সংখ্যাকে সরকারি ভবনের কপালে লিখে দি…
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অপ্রতিমের আইফোন উদ্ধার, আটক ৩
  • ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অপ্রতিম হত্যায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি আহমাদুল্ল…
  • ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬