ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের ৫-এর গ ধারা অনুযায়ী, কোনো বিবাহিত ব্যক্তি সংগঠনটির পদে আসতে পারবেন না বলে উল্লেখ আছে। তবে সদ্য ঘোষিত সংগঠনটির ৩০১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটিতে বেশ কয়েকজন বিবাহিত হয়েও ঠাই হয়েছে। গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে বিবাহিত হয়েও ছাত্রলীগে পদ পাওয়ায় সমলোচিত হচ্ছে কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে।
জানা গেছে, কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সভাপতি পদ পাওয়া সোহানী তিথি, সাংস্কৃতিক বিষয়ক উপ-সম্পাদক পদ পাওয়া আফরিন সুলতানা লাবণী, সহ-সম্পাদক পদ পাওয়া আনজুমান আরা আনু ও সামিহা সরকার সুইটি বিবাহিত। এছাড়াও সহ-সভাপতি ইশাত কাসফিয়া ইরাও বিবাহিত বলে অভিযোগ অনেকের।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলের সাধারণ সম্পাদক জেয়াসমিন শান্তা ফেসবুকে লেখেছেন, নারীদের বিবাহিত হওয়া ও আন্ডারগ্রাউন্ড প্রটোকল দেয়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটিতে বড় পোস্ট পাওয়ার মূলমন্ত্র।