ছাত্রলীগ নেতা নাঈম ও এডিসি হারুন © সংগৃহীত
শাহবাগ থানার ওসির রুমে এডিসি হারুনসহ ১০/১৫ জন পুলিশ মিলে মারধর করে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন নাঈম। আজ রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে তিনি এ অভিযোগ করেন।
এর আগে, গতকাল শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় তুলে নিয়ে গিয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে বেধড়ক মারধর করেন পুলিশের রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদ।
আহত ছাত্রলীগ নেতা বলেন, এডিসি হারুন কিছু পুলিশ ফোন দিয়ে নিয়ে এসে, আমি এবং মামুন ভাইসহ শহীদুল্লাহ হলের ছাত্রলীগের সেক্রেটারী থানায় নিয়ে যায়। আমি নাকি তাকে মেরেছি এ অভিযোগ তুলে ১৫/২০ জন পুলিশ নিয়ে আমার উপর হামলা করে। প্রায় ১০/১৫ মিনিট ধরে ইচ্ছেমতো পিটায় থানার ওসির রুমে।
মারধরের শিকার দুইজন হলেন- ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিম এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন নাঈম।
এর আগেও এডিসি হারুনের বিরুদ্ধে সাংবাদিকসহ অনেককে ক্ষমতা দেখিয়ে মারধর করার অভিযোগ রয়েছে। সাম্প্রতিক এসব বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গতকালের ঘটনাটি তার বিরুদ্ধে প্রথম উল্লেখযোগ্যভাবে আমরা পেয়েছি। আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি। তিনি যতটা অন্যায় করেছেন, ততটা শাস্তি অবশ্যই পাবেন।
এদিকে, গতকাল শনিবার ঘটনার পর থেকে রাতে শাহবাগ থানার সামনে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ভিড় করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও পুলিশের কর্মকর্তারা থানায় গিয়ে মধ্যরাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।