ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু © ফাইল ফটো
দেশে সর্বত্র দুর্নীতি চলছে উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, আজকে আমি একটু অবাক হলাম যে, মঞ্চ বানাতেও লুটপাট হয় এ দলে। সেটা আবার মঞ্চে দাঁড়িয়ে এই দলের সাধারণ সম্পাদক পড়ে যান। কারণ তো ওখানেও চুরি হয়েছে। ঠিক মতো মঞ্চ তৈরি হয় নাই। এখন ওদের ছাত্র সংগঠনের একজন জেলা নেতার কাছেও ২ হাজার কোটি টাকা পাওয়া যায়। এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে লুটপাট হয় না এবং সেই লুটের টাকা আবার বিদেশে পাচার হয়ে যায়।
আজ শুক্রবার বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ১০ম কংগ্রেসে টুকু এসব কথা বলেন। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শুরু হওয়া চার দিনব্যাপী এ কংগ্রেস শেষ হবে ৯ জানুয়ারি।
টুকু বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম একটা গণতন্ত্রের জন্য। সেই গণতন্ত্র আজকে বিলীন হয়ে গেছে। গণতন্ত্র বলে কিছু নাই। এখন একজনতন্ত্র। উনি যা ইচ্ছা করেন, সেটাই রাষ্ট্রের ইচ্ছা, উনি যা ইচ্ছা করেন সেটাই হয়। তাছাড়া আর কারও ইচ্ছা দেশে চলে না।
এ অবস্থার পরিবর্তনে বিরোধী ঐক্যে গড়ে তোলার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা আজকে একত্রিত হয়েছি যুগপৎ আন্দোলন করছি এই ‘একজনের ইচ্ছাকে’ ভেঙে বহুজনের ইচ্ছার দাম দেওয়ার জন্য।
টুকু আরও বলেন, এ অবস্থার মধ্যে জনগণ আর থাকতে চায় না। আমরা ১০টি বিভাগীয় সমাবেশ করেছি। বাধা-বিপত্তি পার হয়ে চিড়া-গুড় নিয়ে একদিনের মিটিং তিনদিনে করেছি। নদী সাঁতরে মানুষ মিটিংয়ে এসেছে। তার অর্থ জনগণ এ সরকারকে আর চায় না।
আগামী ১১ জানুয়ারি ঢাকাসহ সারাদেশে গণঅবস্থান কর্মসূচি হবে বলে জানান টুকু। তিনি বলেন, আমাদের ঐক্যের মাধ্যমে দেশে যে আন্দোলন হবে তাতে এ সরকারকে বিদায় নিতে হবে। সেটা কিন্তু বেশি দূরে না। আমাদের অবস্থান প্রতিবাদ হবে ঐতিহাসিক। আমি এ কংগ্রেসকে আহবান করছি, জনগণ যে আমাদের যুগপৎ কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে এ সরকারকে বুঝিয়ে দেয়, তাদের সঙ্গে মানুষ নেই। আমি মনে করি, জনগণ জেগে উঠেছে। অবশ্যই এ সরকারকে যেতে হবে। জনগণের কাছে কেউ টিকতে পারেনি, তারাও পারবে না।
বিএনপির নেতা টুকু আরও বলেন, এ অবস্থার মধ্যে জনগণ আর থাকতে চায় না। আমরা ১০টি বিভাগীয় সমাবেশ করেছি। বাধা-বিপত্তি পার হয়ে চিড়া-গুড় নিয়ে একদিনের মিটিং তিনদিনে করেছি। নদী সাঁতরে মানুষ মিটিংয়ে এসেছে। তার অর্থ জনগণ এ সরকারকে আর চায় না।
আগামী ১১ জানুয়ারি ঢাকাসহ সারাদেশে গণঅবস্থান কর্মসূচি হবে বলে জানান টুকু। তিনি বলেন, আমাদের ঐক্যের মাধ্যমে দেশে যে আন্দোলন হবে তাতে এ সরকারকে বিদায় নিতে হবে। সেটা কিন্তু বেশি দূরে না। আমাদের অবস্থান প্রতিবাদ হবে ঐতিহাসিক। আমি এ কংগ্রেসকে আহবান করছি, জনগণ যে আমাদের যুগপৎ কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে এ সরকারকে বুঝিয়ে দেয়, তাদের সঙ্গে মানুষ নেই। আমি মনে করি, জনগণ জেগে উঠেছে। অবশ্যই এ সরকারকে যেতে হবে। জনগণের কাছে কেউ টিকতে পারেনি, তারাও পারবে না।
প্রসঙ্গত, আজ বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বক্তব্য দেওয়ার সময় অনুষ্ঠানের মঞ্চ ভেঙে পড়ে বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত কয়েকজন নেতাকর্মী ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।