© সংগৃহীত
ছাত্রলীগের কমিটি দেওয়ার নামে বিভিন্ন সময়ে পদ বাণিজ্যের অভিযোগের জবাবে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি আন নাহিয়ান খান জয় বলেছেন, পদ বাণিজ্যের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমরা কোনো ইউনিটে পদ বাণিজ্য কখনই করিনি। পদ বাণিজ্যের মাধ্যমে নেতৃত্বে আসলে শাস্তি মাথা পেতে নেব।
আজ সোমবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে ৩০তম জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন ও প্রস্তুতি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
জয় বলেন, প্রত্যেক ইউনিটে চার থেকে পাঁচটি গ্রুপ থাকে। দুই জন ছাড়া বাকিরা হতে না পারলে এ ধরনের কথা ছড়ায়। পদ বাণিজ্যের কোনো সুযোগ নেই। জাহাঙ্গীর কবির নানক যে বাণিজ্যের অভিযোগ এনেছেন সেটিও মিথ্যা।
কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে সাধারণ সভা না করার অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, নির্বাহী সংসদের কেউ সাধারণ সম্পাদক বরাবর রিকুইজিশন চিঠি দিলে সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করে সাধারণ সভা করতে আমরা বাধ্য। সাধারণ সভা করতে কেউই কখনও আমাকে চিঠি দেয়নি।
সম্মেলন না করে বিভিন্ন প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কমিটি দেওয়া নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে লেখক বলেন, করোনার কারণে আমরা কোনো সম্মেলন করতে পারিনি। আমরা দায়িত্ব নিয়েছি, তখন ১১৮টি ইউনিট মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল। এগুলোর মধ্যে আরও কয়েকটি ইউনিটের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের সাংগঠনিক কাজ ছিল না। সেখানে প্রস্তুতি কমিটি সম্মেলন করার সুযোগ ছিল না। আমরা শুধুমাত্র চার নেতা নয়, আমাদের অভিভাবক শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করে কমিটি নির্ধারণ করেছি। কর্মী সভা ডেকে আমরা দিক-নির্দেশনা জানিয়েছি।
সংবাদ সম্মেলনে তারা আরও বলেন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন আগামী ৮ ডিসেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ও ৯ ডিসেম্বর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে কেন্দ্রীয় সম্মেলনের আগে আগামী ৩ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলায় ছাত্রলীগের ঢাবি শাখা ও ২ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখা ছাত্রলীগের যৌথ সম্মেলন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে।