খুব সম্ভবত বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ক্যাচটি ধরে ফেলেছেন সুপারম্যান খ্যাতি পাওয়া বেন স্টোকস। ইংল্যান্ডের সমর্থকরা আবার বলতে পারেন সুপারম্যানও এমন ক্যাচ ধরতে পারতোনা। সুপারম্যান এমন ক্যাচ ধরতে পারতো কি পারতোনা এমন বিতর্কে না জাই।
তবে সত্যিই চোক ধাঁধানো এক ক্যাচ ধরে ইতিহাসের পাতায় নিজের নামটা ঠিকি লিখে রাখলেন বেন স্টোকস। দক্ষিণ আফ্রিকার আন্দাইল ফেহলুকওয়ে নিজেও হয়তো বিশ্বাস করতে পারেননি তার সেই ক্যাচটি এক হাতে তালুবন্দী করে নেবেন স্টোকস। প্রায় ৭ ফুট তিন ইঞ্চি উপরে লাফিয়ে ডান হাতে ছোঁ মেরে ক্যাচটি লুফে নেন তিনি।
এমন ক্যাচ দেখার পর ক্রিকেটের বড় বড় সব বোদ্ধারা টুইট বার্তায় ব্যক্ত করেছেন তাদের অনুভূতি। ক্যাচ দেখে বিস্ফারিত চোখে দু’হাত দিয়ে নিজের মুখ ঢাকার ছবি পোস্ট করে স্টুয়ার্ট ব্রড টুইট করেন, লাউঞ্জে দাঁড়িয়ে ক্যাচটা দেখার পরে এটাই আমার প্রতিক্রিয়া।
সাবেক ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার ইয়ান বিশপের টুইট, সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্যাচ ধরতে দেখলাম বেন স্টোকসকে। দুর্দান্ত অ্যাথলিট। শ্রীলঙ্কার সাবেক ক্রিকেটার রাসেল আর্নল্ডও বলছেন, দুর্দান্ত! অবিশ্বাস্য ক্যাচ ধরল বেন স্টোকস। অন্যতম সেরা ক্যাচ। এগুলো অনুশীলন করা যায় না।
মাইকেল ভনের প্রতিক্রিয়া, ক্রিকেট ম্যাচে সাফল্য অনেকাংশে নির্ভর করে অলরাউন্ডারদের জ্বলে ওঠার উপরে। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে বেন স্টোকসের এই পারফরম্যান্স দলকে উজ্জীবিত করবে।
প্রাক্তন ইংল্যান্ড ক্রিকেটার গ্রেম সোয়ান বলছেন, অবিশ্বাস্য! জীবনের সেরা ক্যাচ নিতে দেখলাম স্টোকসকে।’’ সাবেক ভারত অধিনায়ক বিষাণ সিংহ বেদীও বলছেন, শূন্যে লাফিয়ে বিষ্ময় ক্যাচ ধরল বেন স্টোকস।
ম্যাচ জিতে সেই ক্যাচের সম্পর্কে ইংল্যান্ড অধিনায়ক মর্গ্যান বলেন, ব্যাটে, বলে, ফিল্ডিংয়ে দুরন্ত ছন্দ দেখাল স্টোকস। প্রকৃত ম্যাচ উইনার। বিশেষ করে ফেহলুকওয়েও-এর ক্যাচটা! অসাধারণ দক্ষতার সঙ্গে বলটা তালুবন্দি করল স্টোকস। দলে এ রকম একজন ম্যাচ উইনার থাকলে দলের বাকিরাও সেই পারফরম্যান্স দেখে অনুপ্রেরণা পাবে।