বিসিবি সভাপতির সাথে অধিনায়কের জার্সি উম্মোচন © সংগৃহীত
আসন্ন ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দেশের জার্সি উন্মোচন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবির উন্মোচিত জার্সিকে দেশীয় ক্রিয়া সমর্থক, প্রেমী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা ভালোভাবে নিতে পারেনি। ভক্তরা বলছে, ২০১৭ সালের পাকিস্তান জাতীয় দলের জার্সির আদলে তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে তারা বিভিন্ন নিন্দামূলক লেখা প্রকাশ করেছেন।
জার্সির অফিসায়ালি আনুষ্ঠানিক উন্মোচনের পর সোমবার দুপুরে মিরপুর হোম অফ ক্রিকেটে বিশ্বকাপের আগে সবুজ জার্সি পরে জাতীয় দলের ফটোসেশনও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ঘুরে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদের দলের সবুজ জার্সিকে অনেকেই তুলনা করছেন পাকিস্তানের জার্সির সাথে। আবার অনেকে লাল রঙা এ্যাওয়ে জার্সিটি জিম্বাবুয়ের জার্সির মতো দেখাচ্ছে বলে মত প্রকাশ করেছেন। ফেসবুকের ক্রিকেট বিষয়ক বিভিন্ন গ্রুপেও তারা নিজেদের মতো করে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। অন্যদিকে ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল থেকেও অনেক ক্রিকেট প্রেমীকে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে নতুন এই জার্সি নিয়ে।
আরিফ জেবতিক নামে একজনে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের এই জার্সি যে বরাহ শাবকের পালেরা এপ্রুব করেছে, এদের সবাইকে স্টেডিয়ামের মাঝখানে দাঁড় করিয়ে চাবকানো উচিত। পাকিস্তানি জাতীয় পতাকার সবুজ-সাদা কম্বিনেশনে বাংলাদেশের জার্সি বানিয়েছে। বাংলাদেশের পতাকার লালের কোনো চিহ্নই নেই। পাকিস্তানি প্রেতাত্মা, পাকিস্তানে ফিরে যা।’
এ স্ট্যাটাসে মশিউর চৌধুরী নামে একজনে এ জার্সি বাতিলের দাবি জানিয়ে মন্তব্য করেছেন, কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ এ জার্সি অবিলম্বে বাতিল করে বাংলার আলোকে নতুন জার্সি তৈরি করা হোক।
এছাড়া ভক্তদের অপছন্দনীয় ডিজাইনের পাশাপাশি অনেকে জার্সির দাম নিয়েও বিরূপ মন্তব্য করেছেন। এবারের জার্সির মূল্য ধরা হয়েছে ১১৫০ টাকা এবং শিশুদের জার্সির মূল্য থাকবে ৮৭৫ টাকার মধ্যে।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের জার্সির সমালোচনার বিষয়টি নতুন নয়। এর আগেও অনেকবার জাতীয় দলের জার্সি নিয়ে সমালোচিত হতে হয়ে বিসিবিকে। যার মধ্যে ২০১৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ উপলক্ষে উন্মোচিত বাংলাদেশের ক্রিকেট টিমের জার্সি ছিল অন্যতম।
তবে বিসিবি বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘এটি ক্রিকেটারদের পছন্দের জার্সি ছিল। ভক্তদের পছন্দ-অপছন্দ থাকতেই পারে। তাদের মতামতকে আমরা শ্রদ্ধার সাথে দেখছি।’