দেশে উৎসবের আমেজ নিয়ে এসেছে ফুটবল বিশ্বকাপ

২৯ নভেম্বর ২০২২, ০৩:১৩ PM , আপডেট: ২৮ আগস্ট ২০২৫, ০২:৫৬ PM
দেশে উৎসবের আমেজ নিয়ে এসেছে ফুটবল বিশ্বকাপ

দেশে উৎসবের আমেজ নিয়ে এসেছে ফুটবল বিশ্বকাপ © টিডিসি ফটো

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় বদলে গেছে কাতারের চেহারা। শুধু কাতার নয়, জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত ১৯৩টি দেশে চলছে বিশ্বকাপের এ উদ্মাদনা। বাংলাদেশেও বাদ নেই। দেশের ফুটবল প্রেমিরা বলছেন, বিশ্বকাপ ফুটবল একটি উৎসবের আমেজ নিয়ে এসেছে। কে কত বড় পতাকা তৈরি করতে পারে, বাড়িতে বা দেয়ালে কতবেশি রং করা যাবে নির্দিষ্ট দলের-এসব নিয়ে চলে প্রতিযোগিতা।

ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে ইডেন কলেজের ছাত্রী ফারজানা আক্তার, আমি একজন আর্জেন্টিনার সমর্থক। আর্জেন্টিনার সমর্থক হিসেবে আশাবাদী যে ‘তারা ফাইনালে খেলবে’। প্রথম ম্যাচ হেরে ঘুরে দাঁড়ানোর অনেক ইতিহাস আছে। স্পেন ২০১০ সালে হার দিয়ে শুরু করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

ফারজানা বলেন, বর্তমানে এই দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন লিওনেল এস্কালোনি। আর অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন পিএসজি আক্রমণভাগের খেলোয়াড় লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনা ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম সফল দল। যারা এ পর্যন্ত ২ বার (১৯৭৮ ও ১৯৮৬) বিশ্বকাপে জয়লাভ করেছে।

নিজের প্রিয় তারকা ফুটবলার কথা জানিয়ে ফারজানা বলেন, লিওনেল মেসিকে আমার ভীষণ ভালো লাগে। বাসায় আম্মু-আব্বু-দাদু ও ভাইকে নিয়ে খেলা দেখা হয়। সবাই ফুটবল খেলা উপভোগ করেন।

আরও পড়ুন: ফুটবল বিশ্বকাপ জ্বরে কাঁপছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

তাসফিয়া হাসান ব্রাজিল সমর্থক। তিনি ফুটবল বিশ্বকাপে নিজের পছন্দের দল নিয়ে বলেন, আমি যখন বুঝতে শুরু করি, তখন খেলা দেখি। আমার নানা ফুটবল প্রেমী ছিলেন। যখনই ফুটবল খেলা হতো সব নাতিদের নিয়ে তিনি ফুটবল খেলা দেখতে বসে যেতেন। তখন আমি বুঝতামই না ফুটবল খেলাটা কি! কিন্তু খুব মনোযোগ দিয়ে নানার কোলে বসে খেলা দেখতাম। নানা যখন গোল বলে বিজয়ের হাসি দিতো আমরাও সবাই গোল বলে চিৎকার করতাম।

তাসফিয়া বলেন, মজার ব্যাপার হচ্ছে আমার নানা আমাদের সব কাজিনদের হলুদ রঙের জার্সি পরাতো আর আমরাও অনেক আনন্দের সাথে হলুদ জার্সি পড়তাম। ব্রাজিলের প্রতিটি ম্যাচে নতুন নতুন হলুদ জার্সি পেতাম আমরা। সেই দলকে ব্রাজিল বলে এখন বুঝি। সেই থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের পরিবারের সবাই ব্রাজিলের সাপোর্টার। এখন আমার নানা নেই খেলা দেখার সময় টুকুতে আমার নানাকে আমি খুব মিস করি।

প্রিয় দল ব্রাজিলের ঐতিহাসিক ব্যথাতুর স্মৃতি স্মরণ করে বলেন, ২০১৪ সালে ব্রাজিলে ৭ গোল খেল। সেইদিন আমার ছোট ভাইয়ের কান্নায় আমরাও কেঁদে ছিলাম। হারলেও ব্রাজিলে, জিতলেও ব্রাজিল। ব্রাজিল মানে আত্মার শান্তি। ভালোবাসা অবিরাম ব্রাজিল দলকে। যারা পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেখিয়ে দিয়েছে বিশ্বকে।

ফারহানা ইসলাম নামের আরেক ফুটবলভক্ত বলেন, আমি একজন আর্জেন্টিনার সাপোর্টার। ছোট বেলা থেকে যখন ফুটবল খেলা বুঝতে শিখিনি বাসায় তখন সবাইকে এই দলটি সাপোর্ট করতে দেখি। তারপর যখন নিজে কিছু কিছু বুঝি তখন থেকে ভক্ত  হয়ে গেলাম আর্জেন্টিনার। যখন স্কুলে পড়তাম তখন খেলা দেখি। তবে খেলায় হার জিত থাকবেই। তাই এটা নিয়ে আসলে ঝামেলা করার কিছু নেই।

ফারহানা বলেন, একটা না বললেই নয়, সেটা হলো এ ফুটবল বিশ্বকাপ আমাদের মাঝে এক উৎসবের আমেজ নিয়ে এসেছে। সারাদেশে একটা পরিবেশ তৈরি করেছে যেটা আসলেই অনেক আনন্দের। খেলা দেখার মধ্যে দিয়ে পরিবারের সবাইকে সাথে নিয়ে সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সাড়ে তিন মাসে ১০৩টি কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে: রাকসুর ভিপি
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সনদপত্র যাচাই, শিক্ষককে শুনানির জন্য ডাকল এনটিআরসিএ
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
‎প্রকৌশল ক্ষেত্রে বৈষম্য নিরসনে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের বাধা…
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নানা নাটকীয়তার পর আসনটিতে ফিরছে ‘দাঁড়িপাল্লা’
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
একজন দলে ফেরালেও ৪ জনকে বহিষ্কার করল বিএনপি
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৪৮তম বিশেষ বিসিএসে ৩২৬৩ চিকিৎসকের যোগদান
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬