শ্যালকের স্ত্রীকে নিয়ে পালালেন স্কুলের দপ্তরি, ‘অপমানে’ আত্মহত্যা করল সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে

০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৩ PM
ধলিয়া আজিমুন নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরি আশরাফুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মানববন্ধন করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা

ধলিয়া আজিমুন নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরি আশরাফুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মানববন্ধন করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা © টিডিসি ফটো

শ্যালকের স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়েছেন গার্লস স্কুলের দপ্তরি। এ ঘটনায় ‘অপমানে’ আত্মহত্যা করল দপ্তরির সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে। ঘটনাটি ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ধলিয়া আজিমুন নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরী আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তকে বরখাস্তের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী। 

রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার ধীতপুর ইউনিয়নের ধলিয়া গ্রামে অবস্থিত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন অভিভাবক মো. ফখর উদ্দিন, হারুন অর রশিদ, সোহেল মণ্ডলসহ প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘বিদ্যালয়ের দপ্তরী আশরাফুল আলম তার আপন শ্যালকের স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন এবং তাকে নিয়ে পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। পারিবারিক এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিকভাবে অপমানিত বোধ করে আশরাফুল আলমের মেয়ে ও বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী মনিশা আক্তার আত্মহত্যা করে। এমন ঘটনার পর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দপ্তরি আশরাফুলের দায়িত্ব পালন করা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।’

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া অভিভাবক ও এলাকাবাসী জানান, আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে আদালতে দুটি মামলা রয়েছে। দপ্তরি পদ থেকে তাকে বরখাস্ত করতে হবে। না হলে সন্তানদের বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানোর হুঁশিয়ারি দেন তারা।

অভিযুক্ত আশরাফুল আলমের স্ত্রী সাবিনা খাতুন বলেন, ‘আমার স্বামীর ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। একপর্যায়ে আমাদের মেয়ে মনিশা তার বাবাকে বলেছিল, তোমার কারণে আমরা সমাজে মুখ দেখাতে পারব না। এর জবাবে আশরাফুল মেয়েকে বলেন, মুখ দেখাতে না পারলে গলায় দড়ি দে। বাবার মুখে এমন কথা শুনে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে আমার মেয়ে আত্মহত্যা করে। এ ছাড়া আশরাফুল আমাকে ও সন্তানদের হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।’

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আশরাফুল আলমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে ধলিয়া আজিমুন নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ রাহাত খান  বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। তবে এ বিষয়ে আমাকে কেউ লিখিতভাবে অভিযোগ জানাননি। নৈতিক স্খলনের অভিযোগ ওঠা কোনো ব্যক্তির বালিকা বিদ্যালয়ের দপ্তরি পদে দায়িত্ব পালন করা সমীচীন নয়। দপ্তরী আশরাফুল আলম বর্তমানে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত) অবস্থায় রয়েছেন।’

এআইয়ের যুগে মিডিয়া লিটারেসি: তথ্যের সাগরে সত্য চেনার লড়াই
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
বাদাম বিক্রি ছেড়ে স্কুলে যাবে ৮ বছরের হাসান, পাশে দাঁড়ালেন …
  • ০১ নভেম্বর ২০২৬
মাথায় বুলেট নিয়েই ২ বছর পর চলে গেলেন আবু সাঈদের সহযোদ্ধা চন…
  • ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়েটে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে অধ্যাপক দেলোয়ার, প্রতিবাদে…
  • ০১ নভেম্বর ২০২৬
জগন্নাথ হলে ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করে ধরিয়ে দেওয়া হলো ‘আপা আপ…
  • ০১ নভেম্বর ২০২৬
ছেলেকে এডহক কমিটির সভাপতি মনোনয়ন না দেওয়ায় বিএনপি নেতার কাণ…
  • ০১ নভেম্বর ২০২৬