সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

রেকর্ড সংখ্যক আবেদন, হিমশিম খাচ্ছে মন্ত্রণালয়

প্রশ্ন নির্বাচন ও আসন বিন্যাস করবে মন্ত্রণালয়
১১ অক্টোবর ২০১৮, ০৮:৩১ PM

© ফাইল ফটো

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সর্বশেষ শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৪ সালের বিজ্ঞপ্তিতে। সে সময় ১২ লাখ প্রার্থীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ওই পরীক্ষা। এবার দীর্ঘ ৫ বছর পর এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাওয়ায় স্বভাবতই প্রার্থী হয়েছে দ্বিগুণ; সংখ্যায় যা ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭জন। সূত্র বলছে, রেকর্ড সংখ্যক প্রার্থী আবেদন করায় এবার প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, প্রশ্নফাঁস রোধ এবং যেকোন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে একটু বেশিই সর্তক থাকতে হচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে। আর এ কারণেই অক্টোবরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা নভেম্বরে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।

জানা যায়, এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওপর প্রশ্ন নির্বাচন এবং আসন বিন্যাসের দায়িত্ব ছিল। এবার সেই দায়িত্ব পালন করবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়ানো, নিয়োগ পরীক্ষার ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ওএমআর ফরম ডিজাইন ও মূল্যায়ন, পরীক্ষার সময়সূচি, ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও প্রকাশ এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের আসন বিন্যাসের পদ্ধতি উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা হলেও পরীক্ষা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হয়নি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এফ এম মনজুর কাদির বলেন, নিয়োগ পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সভায় সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এবার ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২৪ লাখের বেশি প্রার্থী আবেদন করায় আমাদের বড় ধরনের প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে। আগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন নির্বাচন ও আসন বিন্যাসের করলেও এবার এই কাজটি মন্ত্রণালয় করবে।

তিনি বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়ানো এবং তা নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে দেয়া হয়েছে। তারা প্রতিটি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে কেন্দ্র বৃদ্ধি ও পরীক্ষা আয়োজনের জন্য সময় নির্ধারণ করবে। এরপর নিয়োগ পরীক্ষার সময় ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে সারাদেশে ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। এ পরীক্ষার জন্য ২০টি প্রশ্ন সেট তৈরি করা হলেও এবার তা বাড়ানো হতে পারে। মন্ত্রণালয়ের সভায় এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

৬ জেলায় রাতের মধ্যেই বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
অস্ট্রিয়ায় স্কলারশিপে স্নাতকোত্তরের সুযোগ নারী শিক্ষার্থী…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ঝাড়খণ্ডে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বল প্রয়োগ
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
জুলাই শহীদ ডা. কবিরুলের কন্যা এসএসসি উত্তীর্ণ, শুভেচ্ছা জান…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
সাবেক ছাত্রদল নেতাকে পেটালেন ইউএনও, থামালেন এসিল্যান্ড
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
বস্ত্র অধিদপ্তরে বিভিন্ন গ্রেডে ৪২ পদে চাকরি, আবেদন ৬ সেপ্ট…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬