দাওয়াত খেয়ে যে দোয়া পড়তেন নবীজি (সা.)

০২ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:৩৫ PM , আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৫, ১২:০০ PM

© সংগৃহীত

সামাজিক সম্পর্কের অসামান্য বন্ধন দাওয়াত, যেখানে খাবারের সঙ্গে মিশে যায় আন্তরিকতা, স্নেহ ও ভালোবাসা। দেশ, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে এই সংস্কৃতি চলে আসছে যুগ যুগ ধরে। মেহমানদারি নবী-রাসুলেরও আদর্শ।

কেউ দাওয়াত দিলে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়া, তার কল্যাণের জন্য দোয়া করা উচিত। এটা মহানবী (সা.) এর শিক্ষা। রাসুলুল্লাহ (সা.) কারও বাড়িতে দাওয়াত খেতে গেলে মেজবানের জন্য দোয়া না করে ফিরতেন না।

আবুল হাইসাম (রা.) একবার নবী করিম (সা.) ও তাঁর সাহাবিদের দাওয়াত করলেন। খাওয়া শেষে নবীজি (সা.) বললেন, তোমাদের ভাইকে সওয়াব দান করো। তাঁরা বললেন, আমরা তাঁকে কীভাবে সওয়াব দান করব? তিনি বললেন, কাউকে যখন কোনো ঘরে খাওয়ার জন্য ডাকা হবে, তখন পানাহার করার পর সে যদি মেজবানের জন্য (নিমন্ত্রণকারীর জন্য) দোয়া করে তাহলে সেটিই হবে মেজবানের জন্য সওয়াব পৌঁছানো।

মহানবী (সা.) একবার সাদ বিন উবাদা (রা.)-এর ঘরে দাওয়াত খেয়ে দোয়া করেছেন, ‘আকালা তা-আমাকুমুল আবরার, ওয়াসাল্লাত আলাইকুমুল মালাইকা, ওয়া আফতারা ইনদাকুমুস সা-ইমুন।’

অর্থ: ‘আল্লাহ এমন করুন যেন (এমনভাবে) নেককার লোকেরা তোমাদের খানা খায় এবং ফেরেশতাগণ যেন তোমাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনার দোয়া করে এবং রোজাদারগণ যেন তোমাদের বাড়িতে ইফতার করে।’ (সুনানে আবু দাউদ)

আবদুল্লাহ ইবনে বুসর (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের বাড়িতে খাবার খেয়ে এই দোয়া করেছেন, ‘আল্লাহুম্মা বারিক লাহুম ফি-মা রাজাকতাহুম, ওয়াগফির লাহুম ওয়ারহামহুম।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ, তাদের যে রিজিক দিয়েছেন, তাতে বরকত দান করুন, তাদের ক্ষমা করুন এবং তাদের প্রতি দয়া করুন।’ (সুনানে তিরমিজি: ৩৫৭৬)

ট্যাগ: ইসলাম
কারা হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আ'লীগ নেতার মৃত্যু
  • ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশে বন্ধ হতে যাচ্ছে আইপিএলের সম্প্রচার!
  • ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
মিডিয়ায় থাকা ফ্যাসিবাদের দোসররা বিপ্লবীদের ভিলেন বানাচ্ছে: …
  • ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
ফেনী-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী মিন্টুর ৫০৭ কোটি টাকার সম্পদ
  • ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
যবিপ্রবির বাস চালককে মারধর, থানায় মামলা
  • ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছোট ভাইয়ের বিরোধ মেটাতে গিয়ে বড় ভাই খুন
  • ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
X
APPLY
NOW!