সব বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছে না আসলে স্বতন্ত্র পরীক্ষা নেবে জবি

২০ এপ্রিল ২০২২, ০৪:৩৩ PM
ভর্তি পরীক্ষার্থী

ভর্তি পরীক্ষার্থী © ফাইল ফটো

দেশে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি প্রক্রিয়ায় না আসলে সমন্বিত ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। একই সাথে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে ১০টি শর্ত জুড়ে দিয়েছে সংগঠনটি।

বুধবার (২০ এপ্রিল) জবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আবুল কালাম মো. লুৎফর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানায়, আগামী বছরে ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনাল সহ সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে গুচ্ছের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় আগামী বছর গুচ্ছ পদ্ধতি থেকে বের হয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় তার নিজস্ব ব্যবস্থায় অর্থাৎ এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেবে।

আরও পড়ুন: গুচ্ছ ও সেকেন্ড টাইম ভর্তি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিল জবি

শিক্ষক সমিতির অবশিষ্ট শর্তসমূহ হলো— বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সংশ্লিষ্ট ডিনবৃন্দকে নিয়ে গঠিত হবে ‘ইউনিট সমন্বয় কমিটি’ যারা ভর্তি পরীক্ষার যাবতীয় কার্যাদি সম্পাদন করবেন। এছাড়া সকল উপাচার্য এবং ইউনিট সমন্বয় কমিটির প্রধানদের নিয়ে গঠিত হবে ‘কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি’- যারা সার্বিক বিষয় তদারকি করবেন; ২০২২ সালের ভর্তি পরীক্ষা অবশ্যই জুলাই মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে শেষ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থী ভর্তির ব্যবস্থা করতে হবে; ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে যাতে যে কেউ ফলাফল দেখতে পারে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত স্কোর ও মেধাস্থান অবশ্যই প্রকাশ করতে হবে; ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের এক সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভাগ নির্বাচন করবে। ভর্তির পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে; সকল আবেদনকারীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান করতে হবে।

এছাড়া পরীক্ষার কেন্দ্র নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের শুধু একটি পছন্দ থাকবে এবং সেই কেন্দ্রেই পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে; পরীক্ষার আবেদন ফি ব্যতীত শিক্ষার্থীরা ভর্তিকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট বিভাগে ভর্তির জন্য শুধুমাত্র একবার অর্থ প্রদান করবে। মাইগ্রেশন, ভর্তি বাতিল বা অন্য যে কোন কারনে সার্ভিস চার্জ বাবদ সর্বোচ্চ একশত টাকার বেশি কোন বিশ্ববিদ্যালয় আদায় করতে পারবেনা। ভর্তি বাতিল করে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলে একশত টাকা কর্তন করে জমাকৃত সমুদয় অর্থ ফেরত বা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেরণের পন্থা উদ্ভাবন করতে হবে। আবেদন ফি থেকে প্রাপ্ত অর্থ ব্যয়ের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। এই অর্থ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজস্ব তহবিলে কোন অর্থ প্রদান করা যাবে না। নীতিমালা অনুযায়ী অর্থ ব্যয়ে ঘাটতি দেখা দিলে ইউজিসিকে সে পরিমাণ অর্থ ভর্তুকি হিসেবে প্রদান করতে হবে; বিভিন্ন কোটায় আবেদনপত্র জমাসহ ভর্তি প্রক্রিয়ার যাবতীয় কার্যাদি সংশ্লিষ্ট ইউনিটের ডিন এবং চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন করতে হবে; এছাড়াও ভর্তি পরীক্ষার বিভিন্ন কাজে সকল শিক্ষকের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩১ পরিবারকে ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা অন…
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
জকসু ভিপি ও জিএসকে মেরে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
অফিসার নিয়োগ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক, আবেদন ১০ আগস্ট পর্যন্ত
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসির স্থগিত পরীক্ষার রুটিন প্র…
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা কলেজে ছাত্রশিবির নেতার ওপর ছাত্রদলের হামলা
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস নিয়োগ দেবে সেফটি অফিসার, আবেদন ১০ আগস…
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬