র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ বিভাগের ৪৮ শিক্ষার্থীর শাস্তি

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৪ PM
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় © টিডিসি ফটো

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় চার বিভাগের ৪৮ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার ও অর্থদণ্ড দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় এসব শাস্তি দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. আবদুল আলিম বছির স্বাক্ষরিত পৃথক পত্রের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৫ জুলাই র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় আইন বিভাগের পাঁচজন, ১৯ আগস্ট মার্কেটিং বিভাগের ১৯ জন, ৯ আগস্ট কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৪ জন এবং ২২ জুলাই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় ১০ শিক্ষার্থীকে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে।

গত ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় এসব শাস্তি দেওয়া হয়। ৪৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে কাউকে ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষার্থীকে ২০ হাজার, ১৫ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

পত্রে উল্লেখ করা হয়, জরিমানা পরিশোধের সময়সীমা পত্র ইস্যুর তারিখ থেকে এক মাস। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে দ্বিগুণ হারে জরিমানা প্রযোজ্য হবে।

আরও পড়ুন: দেশসেরা ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটিই বেসরকারি, র‌্যাংকিংয়ে ২৫ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান

এ বিষয়ে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রাহাত হোসাইন ফয়সল বলেন, তিনটি ক্যাটাগরিতে শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে বহিষ্কার অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণ জরিমানা। শিক্ষার্থীরা যাতে নিজেদের ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগ পায়, সে জন্য প্রথমবারের মতো জরিমানার বিকল্প রাখা হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে সরাসরি বহিষ্কারাদেশ কার্যকর হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন, র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় মোট ৪৮ জন শিক্ষার্থীকে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। এসব শাস্তি অবশ্যই কার্যকর করা হবে। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাগিংয়ের বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। এ বিষয়ে প্রতিটি বিভাগে তদন্ত কমিটি গঠনের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং বিভাগগুলোও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে চারটি বিভাগ থেকে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। ওই চার বিভাগের যেসব শিক্ষার্থীর নাম প্রতিবেদনে এসেছে, তাদের শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। তবে অন্য একটি বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে শিক্ষার্থীদের নাম উল্লেখ না থাকায় পুনরায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। নতুন প্রতিবেদনে নামসহ তথ্য দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

প্রক্টর বলেন, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গবেষণা ও পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে। আশা করা যায়, এ ধরনের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে চাকরি, আবেদন অভিজ্ঞতা ছাড়াই
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্বেচ্ছাসেবক দল সদস্য সচিবের নোংরা মন্তব্য, বিএনপির সাংগঠনি…
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টাইমস হায়ার এডুকেশন র‌্যাঙ্কিংয়ে দেশে যৌথভাবে দ্বিতীয় গাজীপ…
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাবি ১-১০০০ থেকে ছিটকে ১০০১-১২০০, আর পাকিস্তানের কায়েদ আজম …
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রাথমিকের ৮ প্রধান শিক্ষককে বদলি
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শান্তকে নিয়ে আশাবাদী বিসিবি
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬