জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় © টিডিসি ফটো
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) নবনির্মিত বঙ্গবন্ধু হলের পানির ট্যাংক উপচে প্রতিনিয়ত ঘন্টার পর ঘণ্টা পানির অপচয় হলেও তদারকির কেউ নেই।
একই অবস্থা দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন এবং ডরমিটরিতেও। পানির ট্যাংক ভর্তি হয়ে নিয়মিত পানি পরে কিন্তু সঠিক সময়ে মটর বন্ধ করার মতো লোক নেই।
এ বিষয়ে হলে দায়িত্বরত এক কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একটু পরপর এখানে এসে গোসল করে। তারা গোসল করে পানির মটর বন্ধ না করেই চলে যায়। কিছু বলতে গেলে খারাপ ব্যবহার করে। তাই আমরা কিছু বলি না। যার কারণে পানির ট্যাংক ভর্তি হয়ে নিয়মিত এখানে পানি পরছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক উজ্জ্বল কুমার প্রধান বলেন, ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় নিয়মিত তদারকির জন্য কোনো লোক নেই। বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হলে আশা করি এ সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। বর্তমানে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। সবাই নিজ জায়গা থেকে একটু সর্তক হলে আশা করি এ সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।
এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় সরকার ও নগর উন্নয়ন বিভাগের শিক্ষক সাদিক হাসান শুভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে লিখেছেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে সবচেয়ে শিক্ষিত মানুষ বাস করে সেখানে এই দৃশ্য খুবই বেমানান। গত ২ তারিখের পর থেকে নতুন ছাত্র হলের এই মটর আমি কখনো বন্ধ হতে দেখিনি। অন্যান্য ভবন থেকেও প্রচুর পানি পরে। এভাবে চলতে থাকলে গ্যাসের মতো পানিও শেষ হয়ে যাবে। লোড শেডিংয়ের জন্য সরকারকে দায়ী করার আগে নিজেদের লজ্জিত হওয়া উচিত।’