জাককানইবিতে প্রভাষক নিয়োগে অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি

মুশফিকুর রহমানের (হীরক মুশফিক)

মুশফিকুর রহমানের (হীরক মুশফিক) © ফাইল ছবি

২০১৮ সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের অস্থায়ী প্রভাষক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ এনেছেন সেই সময় পরীক্ষায় অংশ নেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক তিন শিক্ষার্থী। তারা এবিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

ওই বছর অস্থায়ী প্রভাষক পদে মুশফিকুর রহমানকে (হীরক মুশফিক) বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ফলাফল কম থাকার পরও বিশেষ যোগ্যতায় নিয়োগ দেয়া হয় বলে তাদের অভিযোগ।

শনিবার (১০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১০-২০১১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ওয়াহিদা সুলতানা, আতিকুর রহমান এবং সাদ্দাম হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ করেন এবং তদন্তের দাবি তোলেন।

অভিযোগপত্রে শিক্ষার্থীরা বলেন, ভালো পরীক্ষা দেওয়ার পরও তাদের ফলাফল অকৃতকার্য দেখানো হয়। ভিত্তিহীন বিশেষ যোগ্যতা এবং সিজিপিএ ৩.২৫ পাওয়া প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয় অথচ এই ফলাফলে তার পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতিপত্র পাওয়ার কথা নয় কারণ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সকল পরীক্ষার ফলাফল ৩.৫০ চাওয়া হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শর্ত ভঙ্গ করে একজন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করা হয়েছে। উল্লেখিত নিয়োগের জন্য আমরা ব্যক্তি পর্যায়ে মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত; সেই সাথে আমাদের বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ণ হয়েছে।

সেইসাথে নিয়োগ পরীক্ষার খাতার ফলাফল তদন্ত কমিটি করে পুনরায় মূল্যায়ন করার আবেদন জানিয়েছেন তারা।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে আলোচনায় উঠে এসেছে, সেই সময় নিয়োগ পরীক্ষায় ভালো সিজিপিএ থাকা সাবেক ৩ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাশ করতে পারেনি। পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে এক্সপার্ট ও সেই সময়ের বিভাগীয় প্রধান ইসমত আরা ভূইয়া ইলা ভালো সিজিপিএ ধারীদের ফেল করিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষকের।

এদিকে গত ২৪ জুন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সৈয়দ মামুন রেজা ৭টি অভিযোগ এনে মুশফিকুর রহমানের (হীরক মুশফিক) বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর অভিযোগ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ড. হুমায়ুন কবির বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিযোগপত্রটি ই-মেইলের মাধ্যমে পেয়েছি। আগামীকাল উপাচার্য মহোদয়ের সাথে কথা বলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এছাড়াও অভিযোগটির সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের বর্তমান বিভাগীয় প্রধান আল জাবির বলেন, একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে শুরু করে একদম নিয়োগ প্রদান পর্যন্ত, সার্বিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কতজন আবেদন করলো এবং কতজনের আবেদন কাগজপত্রসহ জমা হয়েছে, এইটুকু অংশ বিভাগের প্ল্যানিং কমিটি তদারকি করে। এর পরবর্তী কাজগুলো ডিনসহ উর্ধ্বতন প্রশাসনিক কমিটির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। তো সেক্ষেত্রে বিভাগের আর কারো কোনো সম্পৃক্ততা থাকে না।

এ বিষয়ে মুশফিকুর রহমান (হীরক মুশফিক) বলেন, একজন আবেদনকারী নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রশাসনের কাছে জানতে চাইতেই পারে। সেটা একেবারে প্রশাসনিক ব্যাপার। আমিও আবেদনকারী ছিলাম, তারাও আবেদনকারী ছিলেন। এক্ষেত্রে আমার বিশেষ কোনো মন্তব্য নেই। এটা প্রশাসন দেখবে।

আরও কমল জ্বালানি তেলের দাম
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
ছাত্রদল নেতার ছুরিকাঘাতে নারী ব্যবসায়ীর মৃত্যু
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
মামুনুলের শক্তি মোহাম্মদপুরের প্রভাব-প্রতিপত্তি, ববির আছে অ…
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
সোনার দাম ফের বাড়ল, এবার কত?
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
এনএসইউ ইয়েস ক্লাবের ‘এন্ট্রেপ্রেট সিজন ৩’-এর গ্র্যান্ড ফিনা…
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
ব্যাংককে নিজের মনে করলে সেবার মান বহুগুণ বাড়বে: ইসলামী ব্যা…
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬