রাষ্ট্রপতির সঙ্গে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাক্ষাৎ © সংগৃহীত
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ৭ম সমাবর্তন আগামী বছরের ১৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতি ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিমের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা হয়। পরে আগামী বছরের ১৮ জানুয়ারি সমাবর্তন অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এ সময় উপাচার্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। সুন্দরবন, উপকূল, লবণাক্ততা, জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় উৎকর্ষতার বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট, শ্রেণিকক্ষের অপ্রতুলতা এবং মাঠ গবেষণাগারের সীমাবদ্ধতার কথাও উপস্থাপন করেন উপাচার্য।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে বাংলাদেশের বিভিন্ন নীতি নির্ধারণে গবেষণার উৎকর্ষতার মাধ্যমে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুন্দরবনভিত্তিক গবেষণাসহ লবণাক্ততা, জলবায়ু পরিবর্তন, উপকূলীয় পরিবেশ ও প্রতিবেশ নিয়ে প্রায়োগিক গবেষণার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। এসব গবেষণা বাংলাদেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এর মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম গবেষণাভিত্তিক নীতি-পরামর্শ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তিনি শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন। এ সময় তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে তার বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেন। রাষ্ট্রপতি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক মঙ্গল কামনা করে ৭ম সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে শুভকামনা জানান এবং এ আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।