ববিতে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যানকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা, অফিসে তালা

৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:২৫ PM
টিডিসি সম্পাদিত

টিডিসি সম্পাদিত © টিডিসি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হককে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ দাবিতে রবিবার (৩০ আগস্ট) সকালে চেয়ারম্যানের কক্ষ, শ্রেণিকক্ষ ও অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা। পরে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।

উপাচার্য কার্যালয়ে উপস্থিত না থাকায় প্রক্টরের মাধ্যমে ফোনে কথা বলেন এবং বিষয়টি সুরাহার জন্য ২৪ ঘণ্টার সময় চেয়ে নেন।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে তীব্র সেশনজট ও সামগ্রিক অব্যবস্থাপনা চলছে। সেশনজট নিরসনে চেয়ারম্যান আগে লিখিত আশ্বাস দিলেও তার সদিচ্ছার অভাবে কোনো সমাধান হয়নি। প্রতিবছর ১২০০ টাকা করে উন্নয়ন ফি নেওয়া হলেও গত ১০ বছরে শ্রেণিকক্ষে একটি পর্দা লাগানো ছাড়া দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি। শিক্ষা কার্যক্রমে পক্ষপাতিত্ব এবং শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে উদাসীনতার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী কাজী মনোয়ার বলেন, ‘এর আগেও সেশনজট কাটানোর লিখিত আশ্বাস দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। আজ প্রক্টরের মাধ্যমে উপাচার্য স্যারের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয়েছে। তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। তবে আমাদের মূল দাবি—চেয়ারম্যান স্যারকে বিভাগ থেকে অপসারণ করতে হবে।’

আরেক শিক্ষার্থী তাহসিন বলেন, ‘আমাদের ডিপার্টমেন্ট এর বহু সমস্যা সমাধানের জন্য এর আগেও অনেক বার স্যারের সঙ্গে যোগাযোগ কোনো ফলপ্রসূ সমাধান পাইনি। আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি একটাই, উনি সসম্মানে আমাদের সহযোগিতা-পূর্বক ডিপার্টমেন্ট  থেকে সরে যাক। উন্নয়ন ফি প্রতিবছর ১২০০ নেওয়া হলেও ১০ বছরে একটা পর্দা লাগানো সাফল্য হতে পারে না। আমাদের ডিপার্টমেন্ট এর সংখ্যাগরিষ্ঠ বর্তমানে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর এ অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের দাবি একটাই ওনার অপসারণ। এই উদ্ভূদ পরিস্থিতি তে আমাদের কর্তব্যরত  প্রভাষকরাও ডিপার্টমেন্ট এর ব্যাপারে যথেষ্ট আন্তরিক হওয়া সত্ত্বেও নিরুপায়।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান সোহাগ জানান, "শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগ জমা দিতে বলা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হক অভিযোগের বিষয়ে বলেন, মূলত শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষক সংকটের কারণেই এ জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের এমন চরম পন্থা অবলম্বন না করার আহ্বান জানান।

ফিতা কেটে কাঠের সাঁকো উদ্বোধন করলেন বিএনপি নেতা
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
শিক্ষা মন্ত্রণালয়-এনটিআরসিএ সভা মঙ্গলবার, আলোচনায় যা থাকছে
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
‘যার থাকার ঘর নাই, তার পুরস্কার দিয়া কী অইব’
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিতে চাকরি, আবেদন ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
কলেজে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলে বাসের ধাক্কা, কলেজছাত্র গুরুতর…
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
শিক্ষার্থীদের ভাষা শেখাতে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দেবে সরকার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬