মুক্তি সংগ্রাম অনুষ্ঠানের তৃতীয় দিন © টিডিসি ফটো
পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে এম আব্দুল মোমেন দীর্ঘ কর্মজীবনের কথা স্মরণ করে বলেন, আমি বঙ্গবন্ধু সরকারে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। তার কন্যার নেতৃত্বে কাজ করার সুযোগ পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি। এছাড়াও মন্ত্রী তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজ বাংলাদেশের যে উন্নয়ন তা বাইরে গর্ব করার মতো, সত্যিই এদেশে জন্মগ্রহণ করে তোমরা ভাগ্যবান।
বুধবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী মুক্তি সংগ্রাম অনুষ্ঠানের তৃতীয় দিনে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড অর্থাৎ দেশে ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। যা মোট জনসংখ্যার ৬০ শতাংশের বেশি। এ সুবিধাকে কাজে লাগাতে আমাদের নেত্রী বিভিন্ন কাজ, প্রকল্প হাতে নিয়ে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিচ্ছে।
মন্ত্রীর কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদান রাখায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে বিশেষ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন উপ উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নুরুল আলম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মোঃ মঞ্জুরুল হক, ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক বশির আহমেদসহ প্রমুখ শিক্ষকগণ।
অনুষ্ঠানে মহান মুক্তিযুদ্ধের ব্যক্তিগত স্মৃতিকথা নিয়ে বক্তৃতা করেন গণবিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক লায়লা পারভীন বানু।
উল্লেখ্য, গত রোববার থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের পরিচালনায় ‘মুক্তির আলোয় আলোকিত করি ভূবন’ স্লোগানকে ধারণ করে তৃতীয়বারের মতো তিন দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘মুক্তি সংগ্রাম’ শুরু হয়। আর আজ ছিল এ অনুষ্ঠানের সমাপনী দিন।