নির্বাচনের দাবিতে জাবি শিক্ষকদের একাংশের কর্মবিরতি

১৮ মার্চ ২০১৯, ০৯:৪০ PM
নির্বাচনের দাবিতে অবস্থানরত সম্মিলিত শিক্ষক সমাজের একাংশ।

নির্বাচনের দাবিতে অবস্থানরত সম্মিলিত শিক্ষক সমাজের একাংশ। © বেলাল হোসেন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) মেয়াদোত্তীর্ণ ডিন, সিন্ডিকেট, শিক্ষাপর্ষদ ও অর্থ-কমিটির নির্বাচনের দাবিতে প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচি পালন শেষে নতুন কর্মসূচী ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ পন্থী শিক্ষকদের একাংশ, বিএনপি ও বামপন্থী শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত সম্মিলিত শিক্ষক সমাজ। সোমবার উপাচার্যের অফিসের সামনে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তারা এই প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।

অবস্থান কর্মসূচিতে অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ‘উপাচার্যের কাছে যে আশা ছিল সেই আশা পূরণে তিনি সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। আমরা চেয়েছিলাম বিশ্ববিদ্যালয় ভালোভাবে চলুক। এখনো আপনার সময় শেষ হয়ে যায়নি। আপনি অতিদ্রুত নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন। যদি না করেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি করার জন্য আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি নিয়ে আসব। গোটা প্রশাসন বসে ঘোষণা দিয়েছেন নির্বাচনের আয়োজন করবেন। কিন্তু আমরা অবাক হয়ে গেছি এমন ঘোষণা দেওয়ার পরেও আপনি তা লঙ্ঘন করলেন। আপনি শুধু বিশ্ববিদ্যালয় না নিজেরও ক্ষতি করে ফেললেন। আমাদের আন্দোলনের ভিত্তি হলো নৈতিক ও যৌক্তিক। স্মরণ রাখবেন লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমরা খুব শীঘ্রই কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করব।’

সহযোগী অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘উপাচার্য ও তার আশপাশের মানুষের কারণে আজ বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ৬ মে’র মধ্যে সকল ধরণের নির্বাচন সম্পন্ন করবেন। কিন্তু এখন উপাচার্যের অসুস্থতার কথা বলে কালক্ষেপণ করা হচ্ছে। গত ৬মার্চ থেকে তিনি অসুস্থতার জন্য ছুটি নিয়েছেন। তাহলে ছুটি নেওয়ার আগে কেন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করলেন না? বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশে বলা আছে, নির্বাচন দিতে হবে সুতরাং উপাচার্য নির্বাচন দিতে বাধ্য। বিশ্ববিদ্যালয়কে রক্ষা করা প্রয়োজন আর এই জন্য আমরা সম্মিলিত শিক্ষক সমাজ মাঠে নেমেছি। আমরা কাউকে রক্ষা বা পদত্যাগের জন্য নামি নাই। আমরা নেমেছি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশকে রক্ষা করতে। সর্বোপরি বিশ্ববিদ্যালয়কে রক্ষা করতে।’

জাকসু নির্বাচনের ব্যাপারে এ অধ্যাপক বলেন, ‘জাকসু নির্বাচনের কথা বলে উপাচার্য শিক্ষক ও ছাত্রদেরকে মুখোমুখি দাড় করিয়েছেন। উনি বলেছেন শিক্ষকরা নাকি নির্বাচন চায়না। আমি বলছি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৭০জন শিক্ষক জাকসু নির্বাচন চায়। আপনি যদি ২১ দিনের মধ্যে শিক্ষকদের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না করে জাকসু নির্বাচন দিতে পারেন দেন। আমরা চাই আগে জাকসু হোক। তারপরও যদি মনে করেন আপনি শিক্ষকদের নির্বাচন দিবেন না জাকসু দিবেন তবে তাই করেন। কিন্তু ছাত্র শিক্ষক মুখোমুখি অবস্থানে দাড় করাবেন না।’

অবস্থান কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সোহেল রানা, অধ্যাপক মো. শামছুল আলম সেলিম, অধ্যাপক কৌশিক সাহা, অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার, অধ্যাপক জামাল উদ্দিন রনু প্রমুখ।

পরে সম্মিলিত শিক্ষক সমাজের শিক্ষকরা বসে এক আলোচনাসভায় পরবর্তী কর্মসূচী ঠিক করেন। কর্মসূচীগুলো হলো- আগামী ১৯ ও ২০ মার্চ ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কর্মবিরতি ও গণসংযোগ, ২১ মার্চ পূর্ণদিবস কর্মবিরতি, ২৪ মার্চ দুপুর ১টায় কাল পতাকা ধারণ, ২৭ মার্চ শিক্ষক সমাজের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রাইভেটকারের ধাক্কায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী নিহতের ঘ…
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
সেভ দ্য চিলড্রেনে চাকরি, আবেদন শেষ ১১ এপ্রিল
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ৮ এপ্রিল, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
গুচ্ছের ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ 
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ঝালকাঠিতে বেড়িবাঁধ নির্মাণে বাঁধা, প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মান…
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি সাশ্রয়ে নেপালে সপ্তাহে দুই দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬