পিএসসি © ফাইল ছবি
৪৯তম (বিশেষ) বিসিএসে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণদের পুনরায় ভেরিফিকেশন হতে পারে। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর মাধ্যমে এ ভেরিফিকেশন কার্যক্রম পরিচালনা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
গত বছরের ১১ অক্টোবর শিক্ষা ক্যাডারদের জন্য প্রকাশিত ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে ৬৬৮ জনকে নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ করে পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি)। নিয়োগ সুপারিশের প্রায় সাত মাস হতে চললেও এখনো যোগদান করতে পারেননি সুপারিশপ্রাপ্তরা। দীর্ঘ সময় পার হলেও যোগদান করতে না পারায় হতাশা প্রকাশ করেছেন তারা।
পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, ৪৯তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্তদের দুই দফায় কাগজপত্র জমা নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নেওয়া প্রথম দফার কাগজপত্র পুলিশের একটি সংস্থার মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় বিএনপি সরকার গঠনের পর কাগজপত্র নেওয়া হয়েছে। এই কাগজ নেওয়ার প্রায় দেড় মাস হতে চলেছে।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে পিএসসির এক কর্মকর্তা আজ রবিবার দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘শিক্ষক সংকটের কথা বিবেচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে ৪৯তম বিসিএসের পরীক্ষা শেষে প্রার্থীদের নিয়োগ সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত কারণে এখনো প্রার্থীদের যোগদান সম্ভব হয়নি। যতটুকু জেনেছি প্রার্থীদের পুনরায় এনএসআই ভেরিফিকেশন হবে।’
কবে নাগাদ প্রার্থীদের যোগদানের নির্দেশনা জারি করা হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘দুই দফায় আমাদের কাছ থেকে প্রার্থীদের তথ্য নেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় দেড় মাসে আগে কাগজপত্র দেওয়া হয়েছে। প্রার্থীদের কবে যোগদান করানো হবে সেটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ভালো বলতে পারবে।’
এ বিষয়ে জানতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারীর দপ্তরে গিয়েও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (মাঠ প্রশাসন, অভ্যন্তরীণ ও নব নিয়োগ) আবুল হায়াত মো. রফিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর ৪৯তম বিসিএস (বিশেষ)-এর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। সাময়িকভাবে ৬৬৮ জনকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়।
পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, এ বিসিএসে মোট ৩ লাখ ১২ হাজারের বেশি প্রার্থী আবেদন করেছেন। এমসিকিউ টাইপ লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ১ হাজার ২১৯ জন। শিক্ষা ক্যাডারের জন্য বিশেষভাবে আয়োজিত এই বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল ২১ জুলাই।