© ফাইল ফটো
চট্টগ্রামের আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (আইআইইউসি) ট্রাস্ট নামে আরেকটি ট্রাস্ট বা বোর্ড অব ট্রাস্টিজ গঠন প্রক্রিয়ায় অনাপত্তিপত্র প্রদান ও একই নামে আরেকটি ট্রাস্ট নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য গত ১ মার্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-১ শাখার উপসচিব শামীমা বেগম কর্তৃক স্বাক্ষরিত স্মারক বলে নিবন্ধক, জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসকে নির্দেশ প্রদান কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) বিচারপতি মো: মজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি মো: কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম ট্রাস্ট কর্তৃক দায়ের করা এক রিটের ওপর শুনানি নিয়ে এ রুল জারি করেন।
একই সাথে রুলে নিবন্ধক, জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস কর্তৃক গত ১০ মার্চ একই নামে আরেকটি ট্রাস্ট গঠনের জন্য নামের ছাড়পত্র প্রদান কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়, নিবন্ধক, জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস, কাওরানবাজার, ঢাকা, উপ-নিবন্ধক, জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস, বিভাগীয় কার্যালয়, চট্টগ্রাম, প্রফেসর ড. আবু রেজা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন নদভীসহ বিবাদিদেরকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে আইআইইউসি ট্রাস্টের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সিনিয়র আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ ও সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল সিনিয়র আইনজীবী এম কে রহমান।
রিট আবেদনে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বলা হয়, সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত এই স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় জবরদখল করার জন্য একটি স্বার্থান্বেষী মহল একই নামে আরেকটি ট্রাস্ট গঠনের বেআইনি তৎপরতা চালাচ্ছে। আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম ট্রাস্ট প্রচলিত আইনে নিবন্ধিত একটি ট্রাস্ট। এই ট্রাস্ট আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামসহ অনেক প্রতিষ্ঠান অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে পরিচালনা হয়ে আসছে।
এই ট্রাস্টের বিরুদ্ধে কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আইনের কোনো প্রবিধান লঙ্ঘনের কোনো অভিযোগ নেই। একই নামে একাধিক ট্রাস্ট গঠিত হতে পারে না। বর্তমান বোর্ড অব ট্রাস্টিজই আইনসম্মত কর্তৃপক্ষ।