বর্ণিল পিঠা উৎসবে ডিআইইউতে নবীন-বরণ

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০২:২২ PM

© সংগৃহীত

দীর্ঘ ১০ মাস পর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পদাচরণে মেতে উঠেছে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) প্রাঙ্গন। হরেক রকমের পিঠার ছোট ছোট স্টলে সাজানো হয়েছে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। বাহারী স্বাদের পিঠার স্টলে শিক্ষার্থীদের ভিড় লক্ষণীয় ছিল। তবে যথেষ্ঠ স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পালন করা হয় বর্ণিল এই পিঠা উৎসব।

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) এর সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে নতুন সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেবার সাথে সাথে (নবীনবরণ) পালিত হয় শীতকালীন পিঠা উৎসব।

শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারী) ডিআইইউ এর স্থায়ী ক্যাম্পাসে (সাতারকুল বাড্ডা) সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে নবীন-বরণ ও শীত কালীন পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়। এ নবীনবরণ ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠানে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অনেক গুণী ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও ঢাকা ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস এর প্রফেসর ও চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ডিন প্রফেসর ড. শওকত আরা, বিভাগীয় প্রধান সহযোগী তানজিলা শবনম, সহকারী অধ্যাপক জামসেদুর রহমান।

নবীন বরণের এই দিনে পিঠা উৎসবে ভিন্ন ভিন্ন ৬ টি স্টলে বাঙালির ঐতিহ্যবাহীপুলি পিঠা, পাটি সাপটা, জামাই পিঠা, বেনি পিঠা, পাকান পিঠা, ভাপা পিঠা, কমলা সুন্দরী, তালের বড়া, নকশী পিঠা, সেমাই পুলি পিঠা,রস পিঠা, সবজি পাকান, ছিটা রুটি, শামুক পিঠা, ডিম পিঠাসহ প্রায় ৫০ রকমের পিঠার আয়োজন করে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা।ক্যাম্পাসে প্রবেশের প্রথম দিনেই নবীন শিক্ষার্থীরা এমন অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করতে পেরে খুবই পুলকিত বোধ করেছে।

শীতকালে পিঠা উৎসব গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে যেনো নতুন প্রাণ দান করে। হরেক স্বাদের পিঠাপুলি মনে করিয়ে দেয় উনুনের পাশে বসে ধোঁয়া ওঠা গরম পিঠা খেতে খেতে ছোটবেলার খুনসুঁটির কথা। সমাজ সভ্যতায় বাংলা উন্নত হলেও আজও আমরা বাংলা মায়ের সেই ঐতিহ্য সংস্কৃতি সানন্দে পালন করে থাকি।

নবীন-বরণের দিনে এ বর্ণাঢ্য ও সৃষ্টিশীল আয়োজন সম্পর্কে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাপ্পী বলেন, করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি ও সময় ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা মাথায় রেখেই নবীনবরণ ও বাঙলার ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছি। আমাদের এই উৎসব নতুন শিক্ষার্থী ও পুরনো শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথম থেকেই আশা করি একটি সুন্দর সম্পর্ক গড়ে দিতে সক্ষম হবে। বিশেষ করে নতুন-পুরাতন মিলে যেভাবে আমাদের এই উৎসবটি সাফল্যমন্ডিত করলো সেটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবীদার!

সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক তানজিলা শবনম বলেন, বাঙালি সংস্কৃতির এক অনন্য উদাহরণ হচ্ছে শীতের পিঠা উৎসব। গ্রামের নবান্নের ছোঁয়া কৃষকদের মাঝে সারা বছরের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করতো। নতুন চালের ঘ্রাণ, প্রতিটি ঘরে পিঠা পায়েসের আয়োজন গ্রাম ও বাঙালির ঐতিহ্য। এগুলো নাগরিক জীবনে নেই বললেই চলে। তবে, ভালোলাগার মতো কথা হলো ঐতিহ্যের সে ছোঁয়া এখন নাগরিক জীবনেও লেগেছে। সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের এ অসাধারণ আয়োজন ছিলো মনে রাখার মতোই সুন্দর।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বকেয়া উৎসব ভাতা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণাধীন মসজিদ নিয়ে বিতর্ক, যা …
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপি প্রার্থীর টাকার খাম! মিডিয়া সেলের অস্বীকার, মুফতি উস…
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
‘ভোটাধিকার হরণ ঠেকাতে কাফনের কাপড় প্রস্তুত রেখেই নির্বাচনে …
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালে, আবেদন শেষ ১৫ ফে…
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
তারেক রহমানের উপহার পাওয়া অন্ধ গফুরের বাড়িতে হামলা ও লুটপাট
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬