প্রাইমএশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়

যৌন হয়রানির মামলা করে নিরাপত্তাহীনতায় নারী কর্মকর্তা

০৫ জানুয়ারি ২০২০, ১০:৩৮ PM
অভিযুক্ত কোষাধ্যক্ষ এ কে এম আশরাফুল হক

অভিযুক্ত কোষাধ্যক্ষ এ কে এম আশরাফুল হক © টিডিসি ফটো

এক মাস আগে যৌন হয়রানির অভিযোগে বেসরকারি প্রাইমএশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ এ কে এম আশরাফুল হকের বিরুদ্ধে মামালা করেছিলেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী কর্মকর্তা। পরে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারেও ছিলেন আশরাফুল হক। এরপর জামিনে বেরিয়ে মামলা তুলে নিতে ওই নারী কর্মকর্তা ও তার পরিবারকে নানা ধরণের হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে নিরাপত্তহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগী ওই নারী। 

ঘটনার বিষয়ে রবিবার প্রাইমএশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি।

জানা যায়, বিভিন্ন সময়ে সরাসরি কিংবা ফোনে ওই নারী কর্মকর্তাকে কোষাধ্যক্ষ এ কে এম আশরাফুল হক কুপ্রস্তাব দিতেন। সর্বশেষ গত ২০ নভেম্বর অফিস শেষ করে লিফটে নামার সময় ওই নারী কর্মকর্তাকে একা পেয়ে যৌন হয়রানি করে। পরে ২৪ নভেম্বর রাজধানীর বনানী থানায় একটি মামলা করলে সেদিনই কোষাধ্যক্ষ এ কে এম আশরাফুল হক গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তিনদিন জেল থেকে জামিনে বের হন তিনি। এরপর থেকে ওই মামলা তুলে নিতে পরোক্ষ ওই নারী কর্মকর্তা ও তার পরিবারকে নানান ধরণের হুমকি দিচ্ছেন কোষাধ্যক্ষ এ কে এম আশরাফুল হক। এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ থেকেও কোন ধরণের সহযোগিতা পাচ্ছেন না ওই নারী কর্মকর্তা। উল্টো কর্তৃপক্ষ তাকে চাকরি ছেড়ে দিতে বলছেন।

এ বিষয়ে ওই নারী কর্মকতা দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, জামিনে বের হয়ে মামলা তুলে নিতে অপরিচিত লোক দিয়ে তিনি আমাকে এবং আমার পরিবারকে নানান ধরণের হুমকি দিচ্ছেন। আর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে আমাকে কোন ধরণের সহযোগিতা করছেন না। উল্টো চাকরি ছেড়ে দিতে বলছেন। ফলে একদিকে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। অন্যদিকে, মামলার সাক্ষী পাওয়া যাচ্ছেনা। আমি হয়তো ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হবো। তিনি আরও বলেন, হুমকি পেয়ে গত ৩ ডিসেম্বর আমি আবার বনানী থানান একটি জিডি (সাধারণ ডায়েরি) করি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আগামী ১২ তারিখ সেই মামলার শুনানি আছে বলে জানান তিনি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপ-পরিদর্শক রাজীব তালুকদার দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, এ ঘটনার মামলটি এখনও তদন্তধীন রয়েছে। মামলার বাদি নানান হুমকি পাচ্ছেন, এ বিষয়ে কোন তথ্য আছে কিনা-প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এ ধরণের কোন তথ্য নেই। 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান বলেন, এ ঘটনার পরপরই আমি আমার বোর্ড অব ট্রাস্ট্রিজ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে মৌখিকভাবে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। যেহেতু দুজনই আমাদের কর্মকর্তা। তারা কোন ব্যবস্থা না নিলে আমারতো করার কিছুই থাকেনা।

এ বিষয়ে কথা বলতে মুঠোফোনে অভিযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ এ কে এম আশরাফুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দুই দিনে ১,৩৫০ মেট্রিক টন চাল আমদানি
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৬৫০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রি করবে সরকার
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আকিজ বশির গ্রুপে চাকরি, আবেদন শেষ ১২ ফেব্রুয়ারি
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শিক্ষা আইনের খসড়া প্রকাশ
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে হামলা-ভাঙচুর
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কাজে এলো না কর্মচারীদের ৩ দফার আল্টিমেটাম, পে স্কেলের কী হব…
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬