ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘উচ্চশিক্ষায় গুণগত মান নিশ্চিতকরণ ও অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক জ্ঞান বিনিময়’ শীর্ষক কর্মশালা

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০১:৫১ PM
ডিআইইউতে ‘উচ্চশিক্ষায় গুণগত মান নিশ্চিতকরণ ও অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক জ্ঞান বিনিময়’ শীর্ষক কর্মশালা

ডিআইইউতে ‘উচ্চশিক্ষায় গুণগত মান নিশ্চিতকরণ ও অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক জ্ঞান বিনিময়’ শীর্ষক কর্মশালা © টিডিসি ফটো

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) “উচ্চশিক্ষায় গুণগত মান নিশ্চিতকরণ ও অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক জ্ঞান বিনিময়” শীর্ষক একটি উচ্চ-পর্যায়ের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

রবিবার (৩০ আগস্ট) সাভারের বিরুলিয়ায় ‘ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটি’-তে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি এসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এ কর্মশালা আয়োজনের মাধ্যমে একাডেমিক উৎকর্ষ, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিক উন্নয়নের প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। 

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের (বিএসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আর. কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের (বিএসি) সদস্য (পূর্ণকালীন) অধ্যাপক ড. মো. শাহ এমরান, পরিচালক (অ্যাক্রেডিটেশন এবং কিউএ ও এনকিউএফ) অধ্যাপক নাসির উদ্দিন আহমেদ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ডিন (একাডেমিক অ্যাফেয়ার্স) ও আইকিউএসি (ওছঅঈ)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল।

অ্যাক্রেডিটেশন, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, মানদন্ড নির্ণায়ক, প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি এবং অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়ায় সুশৃঙ্খল নথিপত্র সংরক্ষণের গুরুত্ব বিষয়ে জ্ঞান বিনিময় ও একাডেমিক আলোচনার লক্ষ্যে এই কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়। এতে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের (ইঅঈ) বিশিষ্ট প্রতিনিধি এবং ডিআইইউ (উওট)-এর ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, সহযোগী ডিন, বিভাগীয় প্রধান, সহযোগী প্রধান, শিক্ষকবৃন্দ এবং ‘প্রোগ্রাম সেলফ-অ্যাসেসমেন্ট কমিটি’ (চঝঅঈ)-এর সদস্যরা এই কর্মশালায় অংশ নেন।

এই কর্মশালার অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য দিক ছিল বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের (বিএসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খানের জ্ঞান-বিনিময় পর্ব। তিনি অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়া শুরুর ক্ষেত্রে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং আগামী দিনগুলোতে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য অ্যাক্রেডিটেশনের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তুলে ধরেন। অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সকলকে অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কা বা ভীতি পোষণ না করার জন্য বিশেষভাবে উৎসাহিত করার পাশাপাশি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত (পৎবফবহঃরধষং), একাডেমিক কার্যক্রম, অর্জন এবং প্রাতিষ্ঠানিক রীতিনীতি যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও নথিবদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়ার সময় নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমের সুশৃঙ্খল নথিকরণ অপরিহার্য।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান অ্যাক্রেডিটেশন (স্বীকৃতি) ও বৈশ্বিক মানদন্ড বিষয়ে তাঁর মতামত তুলে ধরেন। তিনি অ্যাক্রেডিটেশনের স্থানীয় ও বৈশ্বিক বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থান ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুণগত মান ও আন্তর্জাতিক মানদন্ড অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনার ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
কর্মশালায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির বিএসি (ইঅঈ) এবং অন্যান্য অ্যাক্রেডিটেশন সংস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি এবং গুণগত মান উন্নয়নের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে অ্যাক্রেডিটেশন সংক্রান্ত পরিবর্তনশীল ও নতুন নতুন শর্তাবলির সাথে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (উওট) যথাযথভাবে মানিয়ে চলতে পারে।

বাংলাদেশ এক্রিডিটেশন কাউন্সিলের (বিএসি)-এর বিশিষ্ট প্রতিনিধিগণ পরবর্তীকালে বিভিন্ন বিভাগের অনুষদ সদস্যদের সাথে একটি আকর্ষণীয় প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণ করেন। অনুষদ সদস্যরা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, যা বিএসি প্যানেলিস্ট এবং অংশগ্রহণকারীদের স্বীকৃতি-সম্পর্কিত প্রযুক্তিগত, পদ্ধতিগত এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়াবলীর উপর মতামত বিনিময় এবং অর্থপূর্ণ অ্যাকাডেমিক আলোচনায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়।

এই কর্মশালাটি ডিআইইউ-এর প্রাতিষ্ঠানিক মান নিশ্চিতকরণ সংস্কৃতি এবং স্বীকৃতির প্রস্তুতিকে শক্তিশালী করার চলমান প্রচেষ্টায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। আশা করা যায়, বিএসি-এর জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিদের দ্বারা প্রদত্ত জ্ঞান ও অন্তর্দৃষ্টি ডিআইইউ-এর অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক বিভাগসমূহকে স্বীকৃতির আবশ্যকতা সম্পর্কে গভীরতর ধারণা তৈরি করতে এবং প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমের প্রমাণ-ভিত্তিক নথিপত্রকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।

এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে গুণগত মান, জবাবদিহিতা ও ধারাবাহিক উৎকর্ষ সাধন এবং জাতীয় ও বৈশ্বিক প্রত্যাশার সাথে সামঞ্জস্য বজায় রাখার বিষয়ে তাদের প্রতিশ্রতিই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স ফাইনালের ফলাফল দেখা যাবে ৫টা থেক…
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
চীন সফরে ৫ অর্জনের কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশকে ২৪ লাখ ডলারের চিকিৎসা সরঞ্জাম দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ র‍্যাংকিং: তথ্য জমার সময় বৃদ্ধি
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
সার্টিফিকেট-মার্কশিটে ভুল নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের সতর্কতা
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নোবিপ্রবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ, ২৪ জানুয়ারি…
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬