ইউআইইউতে ম্যামালিয়ান সেল কালচার টেকনিকস বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

০১ জুলাই ২০২৬, ১২:২৭ PM , আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ১২:২৭ PM
কর্মশালায় উপস্থিত শিক্ষক ও গবেষকরা

কর্মশালায় উপস্থিত শিক্ষক ও গবেষকরা © টিডিসি ফটো

গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের আধুনিক গবেষণা কৌশলে দক্ষ করে তুলতে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) ফার্মেসি বিভাগের উদ্যোগে ম্যামালিয়ান সেল কালচার টেকনিকস শীর্ষক দিনব্যাপী একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৮ জুন) ইউআইইউ ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল ম্যামালিয়ান কোষ কালচার কৌশল বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং গবেষণা দক্ষতা উন্নয়ন।

কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউআইইউর ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চের (আইএআর) পরিচালক ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর এমেরিটাস ড. এম. রিজওয়ান খান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ডা. মো. জুলফিকার রহমান। পুরো কর্মশালা পরিচালনা করেন ইউআইইউর ফার্মেসি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. তাহমিনা ফয়েজ।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা এবং আধুনিক ল্যাবরেটরি প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি বায়োমেডিকেল ও ফার্মাসিউটিক্যাল গবেষণায় ম্যামালিয়ান সেল কালচার প্রযুক্তির গুরুত্ব এবং এ খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কর্মশালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আইইউবি), সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকরা অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকদের মতে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গবেষকদের অংশগ্রহণ কর্মশালাটিকে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান বিনিময়, অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি এবং আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সহযোগিতা বৃদ্ধির কার্যকর প্ল্যাটফর্মে পরিণত করেছে।

আরও পড়ুন : নেই শিক্ষক, সংকট কম্পিউটারের—এক যুগেও পূরণ হয়নি আইসিটি শিক্ষার ঘাটতি

দিনব্যাপী কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা নিবিড় পরীক্ষাগারভিত্তিক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক আলোচনা ও বক্তৃতায় অংশ নেন। প্রশিক্ষণের বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল ম্যামালিয়ান সেল কালচার ল্যাবরেটরি স্থাপন, জৈব নিরাপত্তা (বায়োসেফটি), উত্তম পরীক্ষাগার অনুশীলন (জিএলপি), অ্যাসেপটিক কৌশল, মিডিয়া প্রস্তুতি, কোষ পরিচালনা, সাবকালচারিং, কোষ গণনা, কোষের কার্যক্ষমতা মূল্যায়ন, ইনকিউবেশন, ক্রায়োপ্রিজারভেশন এবং কোষ কালচার-সংক্রান্ত আধুনিক যন্ত্রপাতি পরিচালনা।

ইউআইইউর ফার্মেসি বিভাগ জানায়, এ ধরনের কর্মশালা অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বৈজ্ঞানিক আলোচনা, জ্ঞান বিনিময় ও পেশাগত নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ সৃষ্টি করবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যৌথ গবেষণা ও সহযোগিতা সম্প্রসারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গবেষণা সক্ষমতা জোরদার, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং দেশে বায়োমেডিকেল গবেষণাকে এগিয়ে নিতে ভবিষ্যতেও আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়ন কর্মসূচি আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিভাগটি।

ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬
আপাতত থেমে গেলাম, বারবার পোস্ট ও আলোচনা সময় এবং সম্মান—দুটো…
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬
১২ বছর পর অসুস্থ হয়ে দেশে ফিরেছিলেন ইরাকপ্রবাসী, ডাক্তার দে…
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬
‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে মজা করে বলছিলেন, তুমি আবার যাবা আমার স…
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬
স্বামীকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দিলেন স্ত্রী
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬
৫৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে চালু হবে তৃতীয় ভাষা ইনস্টিটিউ…
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬