আইইউবিএটিতে বাংলাদেশের চা শিল্প-চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণের কৌশল শীর্ষক সেমিনার

১২ মার্চ ২০১৯, ০৪:৩০ PM
বাংলাদেশের চা শিল্প -
 চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণের কৌশল শীর্ষক সেমিনারে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ

বাংলাদেশের চা শিল্প - চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণের কৌশল শীর্ষক সেমিনারে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ

‘আমাদের চা,আমাদের গর্ব’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার এন্ড টেকনোলজিতে (আইইউবিএটি) অনুষ্ঠিত হল ‘বাংলাদেশের চা শিল্প — চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণের কৌশল’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনার। আইইউবিএটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন এবং কলেজ অব এগ্রিকালচারাল সাইন্সের উদ্যোগে বাংলাদেশের চা শিল্প এর সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে উক্ত সেমিনারে সর্বমোট ১১ টি প্রবন্ধ পাঠ করা হয়। সেমিনারের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের চা শিল্পের চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণের কৌশল চিহিৃত করন। বাংলাদেশে চা-শিল্পে রয়েছে অপার সম্ভাবনা।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোঃ লুৎফর রহমান। তিনি বাংলাদেশের চা শিল্পের বর্তমান অবস্থা বর্ণনা করে বলেন, চা বাগানে অস্থায়ী শ্রমিক এবং তাদের পোষ্যদের সংখ্যা বছর বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে কিন্তু স্থায়ী শ্রমিকদের সংখ্যা বৃদ্ধি হচ্ছেনা। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে নতুন বাগান সৃজনের উপযুক্ত জায়গার অভাব, কর্মসংস্থানের অভাব, পুরাতন বাগানের জায়গায় নতুন বাগান বৃদ্ধি করার প্রবণতা কমসহ বিভিন্ন কারণে চা শিল্পকে অদূর ভবিষ্যতে দুর্দশা থেকে পরিত্রাণের জন্য অবিলম্বে পুরাতন চা গাছ তুলে নতুন চা রোপণের পরামর্শ দিয়েছেন। এর ফলে একদিকে যেমন অস্থায়ী বেকার শ্রুমিকদের কাজের সংস্থান হবে, অন্যদিকে উৎপাদন বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।

আইইউবিএটির উপাচার্য অধ্যাপক ড.আব্দুর রবের সভাপতিত্বে সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড.হামিদা আখতার বেগম, কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল্লাহ মিয়া, মনিপুর টি কোম্পানির জিএম জুবায়ের হোসেন, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইন্সটিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. টি আহমেদ, তেতুলিয়া টি কোম্পানির চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, সিনিয়র টি প্ল্যানটার বিলি আহমেদ এবং হালদা ভ্যালি টি কোম্পানির প্রতিনিধিগণ সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

উপাচার্য অধ্যাপক ড.আব্দুর রব জাতীয় পর্যায়ে এধরণের সেমিনার আয়োজন করার জন্য আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, চা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও ক্রমাগত নগরায়নের ফলে ও জনতার শহরমুখিতার কারণে চায়ের অভ্যন্তরীণ চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। এছাড়া সামাজিক উন্নয়নের ফলেও চায়ের অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেড়েছে। বিগত তিন দশক ধরে চায়ের অভ্যন্তরীণ চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। ফলে চায়ের রপ্তানি হঠাৎ করেই কমে যায়। তারপরও জাতীয় অর্থনীতিতে চা শিল্পের গুরুত্ব অপরিসীম এবং সুদূরপ্রসারী। ভবিষ্যতে আমারা এধরণের সেমিনার আয়োজন করবো। এছাড়াও তিনি স্পন্সর কোম্পানিসহ সেমিনারে সার্বিক সহযোগিতার জন্য তিনি সকল কে ধন্যবাদ জানান।

সম্প্রীতির সুরে বৈচিত্র্যের উদযাপন, খুবিতে আদিবাসী শিক্ষার্…
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
‎ ‘ওসমান হাদি জুলাই ফর জাস্টিস' জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ…
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
‘জমিদারি স্টাইলে ভিসি আর চলবে না’: নুরুল হক নূর
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
বজ্রবৃষ্টি বাড়ার আভাস আবহাওয়া অধিদপ্তরের
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
ফেনী কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে ছাত্রদলের সভা, সমালোচনার ঝড়
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
রাতভর ঢাকার হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরেও মিলল না পিআইসিইউ, হাম…
  • ০৯ আগস্ট ২০২৬