প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে বড় নিয়োগের প্রস্তুতি

২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১১ PM , আপডেট: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫০ PM
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর © টিডিসি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করা হলেও যোগ দিয়েছেন ১২ হাজার ৮৩০ জন। ফলে এ নিয়োগের পরও সব পদ পূরণ হয়নি। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষক পদে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দেওয়া হলে আরও ৩৮ হাজার ৪৪৩টি সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য হবে। এসব পদে নিয়োগের পাশাপাশি বর্তমানে খালি থাকা পদগুলোর পূর্ণাঙ্গ হিসাব করতে কাজ করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শূন্য পদের হিসাব চূড়ান্ত হতে পারে। তবে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সময় এখনো নির্ধারণ হয়নি।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নতুন নিয়োগে কতজন সহকারী শিক্ষক নেওয়া হবে, তা নির্ধারণে শুধু বর্তমানে খালি থাকা পদ গণনা করলেই হবে না। নিয়মিত অবসর, প্রধান শিক্ষক পদে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি এবং অন্যান্য কারণে সম্ভাব্য শূন্যতার হিসাবও সমন্বয় করতে হবে। বিশেষ করে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া এগোলে সহকারী শিক্ষক পদে নতুন শূন্যতা তৈরি হবে। তাই এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নিয়োগের চাহিদা নির্ধারণ করতে চায় অধিদপ্তর।

সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের পরও নতুন শূন্যতা
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর আওতায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ফলাফলের ভিত্তিতে তাঁদের নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু হয়। পরে অক্টোবরে তাদের যোগদান ও পদায়নের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হয়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১২ হাজার ৮৩০ জন সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তবে ১ হাজার ৪৭১ জন নিয়োগপ্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে বাদ পড়েন বা যোগদান করেননি। এ ছাড়া ৮৩ জন শেষ পর্যন্ত নিয়োগ পাননি। ফলে সুপারিশ করা ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের সবাই বিদ্যালয়ে যোগ দেননি। সেখানেও কিছু পদ শূন্য রয়েছে।

নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু মোট শূন্য পদের সংখ্যা নয়, কোন কোন উপজেলায় কতটি পদ খালি রয়েছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। কোথাও শিক্ষকসংকটের কারণে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হলে সেখানে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হবে। মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাইয়ের পরপরই নতুন নিয়োগ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতিতে বাড়বে সহকারী শিক্ষকের শূন্যতা
নতুন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পদসংখ্যা নির্ধারণে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ্য সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হবে। এর সঙ্গে নিয়মিত অবসরজনিত শূন্যতাও যুক্ত হবে।

গত ২ জুলাই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৬ হাজার ২৩৫টি প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। এসব পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি পদোন্নতির ফলে শূন্য হওয়া ৩৮ হাজার ৪৪৩টি সহকারী শিক্ষক পদেও নিয়োগ দেওয়া হবে।

এদিকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির পর ৩৮ হাজার ৪৪৩টি শূন্যপদ তৈরির আগেই ১২ হাজার ৮৩০ জন যোগদান করেছেন। ফলে অবশিষ্ট থাকে ২৫ হাজার ৬১৩ টি পদ। তবে এই হিসাব অনুযায়ী বর্তমান শূন্যপদ বলা যাবে না। কারণ পদোন্নতি, মৃত্যু, অবসর ও পরবর্তী সময়ে সৃষ্ট শূন্যতা সমন্বয় করতে হবে।

এ বিষয়ে অধিদপ্তরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির সঙ্গে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের হিসাবও যুক্ত। পদোন্নতি সম্পন্ন হলে সহকারী শিক্ষক পদে নতুন করে শূন্যতা তৈরি হবে। পাশাপাশি মৃত্যু ও অবসরজনিত কারণেও প্রতিনিয়ত পদ শূন্য হচ্ছে। ফলে বর্তমান শূন্য পদের সংখ্যা এবং পদোন্নতির পর সম্ভাব্য শূন্য পদের হিসাব সমন্বয় না করে নিয়োগের প্রকৃত চাহিদা নির্ধারণ করা কঠিন। তবে ধারনা করা যায়, এই সংখ্যা ৫০ হাজার বা তার বেশিও হতে পারে।

তিনি  আরও বলেন, উপজেলা পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করে মোট শূন্য পদের সংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে। আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যে এ হিসাব পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর শূন্য পদের প্রকৃত সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে। তবে ডিসেম্বরের মধ্যে শূন্য পদের হিসাব পাওয়া গেলেও ওই সময়ের মধ্যেই নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদটি দশম গ্রেডের। বিদ্যমান নিয়োগবিধি অনুযায়ী, এ পদের ২০ শতাংশ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে এবং বাকি ৮০ শতাংশ সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে জ্যেষ্ঠতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করার বিধান রয়েছে। প্রধান শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ভূমিকা রয়েছে।

অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘদিন পদোন্নতি ও জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা থাকায় প্রধান শিক্ষক পদে শূন্যতা পূরণের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এখন জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের আইনি ভিত্তি স্পষ্ট হওয়ায় পদোন্নতির প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক যাচাই-বাছাই ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিপুলসংখ্যক পদ শূন্য। পদোন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করতে হবে। বিপুলসংখ্যক শিক্ষকের জ্যেষ্ঠতা ও চাকরিসংক্রান্ত তথ্য যাচাইয়ের কারণে এ প্রক্রিয়ায় সময় লাগতে পারে। তাই আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যে শূন্য পদের তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শূন্য পদের তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি এবং সরাসরি নিয়োগের প্রক্রিয়া এগোলে সহকারী শিক্ষক পদে নতুন করে কতটি শূন্যতা তৈরি হবে, তা নির্ধারণ করা সহজ হবে। এ কারণে নতুন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার আগে প্রধান শিক্ষক পদ-সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার অগ্রগতিও বিবেচনায় রাখছে অধিদপ্তর।

সম্প্রতি নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের যোগদানের পরও যেসব পদ শূন্য রয়েছে, সেগুলোর সংখ্যা বেশি হলে দ্রুত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুরোধ করা হবে। সে ক্ষেত্রে পরপর দুটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রয়োজন হতে পারে। তবে এ সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান কার্যক্রম কতটা ব্যাহত হচ্ছে, তার ওপর।-কর্মকর্তা, প্রাথমিক অধিদপ্তর

শূন্য পদ বেশি হলে দ্রুত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির উদ্যোগ
অধিদপ্তর সূত্র জানায়, সম্প্রতি নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের যোগদানের পরও যেসব পদ শূন্য রয়েছে, সেগুলোর সংখ্যা বেশি হলে দ্রুত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুরোধ করা হবে। সে ক্ষেত্রে পরপর দুটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রয়োজন হতে পারে। তবে এ সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান কার্যক্রম কতটা ব্যাহত হচ্ছে, তার ওপর।

অধিদপ্তরের ওই কর্মকর্তা বলেন, অনেক উপজেলায় সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য থাকলে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে দেরি করা যাবে না। কারণ এতে পাঠদান ব্যাহত হবে। তবে কয়েকটি উপজেলায় অল্পসংখ্যক পদ শূন্য থাকলে তা বিবেচনায় নেওয়া হবে। কারণ কয়েকটি উপজেলার অল্পসংখ্যক শূন্য পদের জন্য আলাদা করে এত ব্যয়বহুল নিয়োগ আয়োজন করা কঠিন।

তার মতে, নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু মোট শূন্য পদের সংখ্যা নয়, কোন কোন উপজেলায় কতটি পদ খালি রয়েছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। কোথাও শিক্ষকসংকটের কারণে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হলে সেখানে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হবে। তাই মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাইয়ের পরই নতুন নিয়োগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বাংলাদেশে বেশ কয়েক ধরনের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু রয়েছে

আইনি জটিলতার শুরু যখন
প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি ও জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের জটিলতার পেছনে ছিল জাতীয়করণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরিকাল গণনার প্রশ্ন। ২০১৩ সালের চাকরির শর্তসংক্রান্ত বিধিমালাকে কেন্দ্র করে এ বিরোধের সূত্রপাত। ওই বছরের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া বিধিমালার আওতায় ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়। এরপর জাতীয়করণ করা বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক বিধিমালার ৯(১) বিধির একটি অংশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে রিট করেন।

২০১৯ সালের ১১ মার্চ হাইকোর্ট ওই বিধির একটি অংশ অসাংবিধানিক ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা ও চাকরিসংশ্লিষ্ট সুবিধা নির্ধারণে তাঁদের কার্যকর চাকরিকাল বিবেচনার নির্দেশ দেন। এতে জাতীয়করণের আগে বেসরকারি বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের পূর্ববর্তী চাকরিকাল কীভাবে গণনা করা হবে, তা নিয়ে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়।
হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার আপিলের অনুমতি চাইলে ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর আপিল বিভাগ আবেদন মঞ্জুর করেন এবং হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত ২ জুলাই আপিল বিভাগ সরকারের আপিল মঞ্জুর করেন। পরে ২৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।

আপিল বিভাগের রায়ে বলা হয়েছে, ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সরাসরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করা বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তুলনায় জ্যেষ্ঠতা পাবেন। অর্থাৎ, জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগের সময়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে জাতীয়করণ করা বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আগের চাকরিকালের ৫০ শতাংশ কার্যকর চাকরিকাল হিসেবে গণনা করা হবে। আন্তঃজ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের পাশাপাশি পদোন্নতি, সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেলের মতো চাকরিসংশ্লিষ্ট সুবিধা নির্ধারণেও এ হিসাব প্রযোজ্য হবে।

নতুন নিয়োগের পরিকল্পনায় তিনটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এগুলো হলো, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শূন্য পদের সঠিক হিসাব নির্ধারণ, প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির মাধ্যমে সম্ভাব্য শূন্যতা হিসাব করা এবং প্রধান শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগের প্রক্রিয়ার অগ্রগতি।

রায়ে আদালত উল্লেখ করেছেন, জাতীয়করণের আগে বেসরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের চাকরিকালকে স্বীকৃতি দেওয়া সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়, কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা নয়। তবে শিক্ষকদের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে সরকার ওই সময়ের চাকরির একটি অংশকে কার্যকর চাকরিকাল হিসেবে গণনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এ রায়ের ফলে জাতীয়করণ করা বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে চাকরিকাল গণনার ভিত্তি স্পষ্ট হয়েছে। তবে এর ফলে কতজন সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পাবেন এবং কতটি সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য হবে, তা এখন পৃথকভাবে নির্ধারণ করতে হবে।

অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, নতুন নিয়োগের পরিকল্পনায় তিনটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এগুলো হলো, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শূন্য পদের সঠিক হিসাব নির্ধারণ, প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির মাধ্যমে সম্ভাব্য শূন্যতা হিসাব করা এবং প্রধান শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগের প্রক্রিয়ার অগ্রগতি। এসব তথ্য সমন্বয় করে নতুন নিয়োগের চাহিদা নির্ধারণ করা হবে।

২০২৭ সালে সরকারি ছুটির ২৯ দিনের সাতদিনই শুক্র-শনি
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
জাতীয়তাবাদী ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের ২৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ…
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
ছাত্রলীগের সম্পৃক্ততার অভিযোগে জবি শিক্ষার্থীকে মারধর করে প…
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
ইলানের মাকে হারাতে চাই না!
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, দৈনিক মিলবে ১০ মিলিয়ন …
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
×
NORTH SOUTH
UNIVERSITY Center of Excellence
UNDERGRADUATE
ADMISSION
SPRING 2027
APPLY NOW
APPLICATION DEADLINE
NOVEMBER 22, 2026
ADMISSION TEST
NOVEMBER 28, 2026
WORLD RANKINGS 2027#801-1000
WORLD RANKINGS 2027#901-950