জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) © সংগৃহীত
দেশের প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধান খুঁজতে চলতি অর্থবছরে ক্ষুদ্র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। এ লক্ষ্যে রাজস্ব খাতের আওতায় মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের কাছ থেকে গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে। আগ্রহীরা আগামী ১৫ আগস্টের মধ্যে আবেদন জমা দিতে পারবেন। সম্প্রতি জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, এ বছর মোট পাঁচটি ক্ষুদ্র গবেষণা প্রস্তাব চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হবে। নির্বাচিত প্রতিটি গবেষণার জন্য সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষার প্রাসঙ্গিকতায় ৫টি নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর এই প্রস্তাবনা জমা দেওয়া যাবে।
বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে-শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজি মৌলিক সাক্ষরতা উন্নয়ন, গণিতের চ্যালেঞ্জিং বিষয়বস্তু উপস্থাপনার কৌশল, পরিমার্জিত ডিপিএড (বিটিপিটি) প্রশিক্ষণের কার্যকারিতা, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষাক্রমের সামঞ্জস্যতা এবং প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের কার্যক্রম সহজীকরণ।
এ বছর বিশেষভাবে পরীক্ষামূলক গবেষণাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। গবেষণা পরিচালনার জন্য একজন টিম লিডারের নেতৃত্বে এক বা একাধিক সহযোগী গবেষক নিয়ে গবেষণা দল গঠন করতে হবে। পিটিআই, ইউপিইটিসি, শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং পরীক্ষণ বিদ্যালয় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এ দলে গবেষক হিসেবে অংশ নিতে পারবেন।
নির্ধারিত কাঠামো অনুযায়ী গবেষণা প্রস্তাবের হার্ড কপি আগামী ১৫ আগস্ট ২০২৬-এর মধ্যে অনুষদ প্রধান, গবেষণা ও শিক্ষাক্রম উন্নয়ন অনুষদ, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ), ময়মনসিংহ ঠিকানায় পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে সফট কপি (ওয়ার্ড ও পিডিএফ) [email protected] ই-মেইলে জমা দিতে হবে।
গবেষণা প্রস্তাবে গবেষণার শিরোনাম, ভূমিকা, সমস্যা, যৌক্তিকতা, উদ্দেশ্য, গবেষণা এলাকা, গবেষণা পদ্ধতি, গবেষণার ডিজাইন, নমুনায়ন, তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ পদ্ধতি, প্রত্যাশিত ফলাফল, এপিএ-৭ অনুসারে রেফারেন্স, সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা, বাজেট বিভাজন ও উপসংহার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।