প্রাথমিকে শিখন ঘাটতি কমাতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: ববি হাজ্জাজ

০৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৫১ PM , আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৫২ PM
আগারগাঁও তালতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

আগারগাঁও তালতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ © টিডিসি ফটো

প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি (লার্নিং ডেফিসিট) কমাতে পাঠ্যক্রম পুনর্বিন্যাস, শিক্ষকদের জন্য নতুন নীতিমালা ও প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান এবং নিয়মিত মাঠপর্যায়ের তদারকিসহ সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সোমবার (৬ জুলাই) সকালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনের অংশ হিসেবে আগারগাঁও তালতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন ও মূল্যায়নে দেখা গেছে, অধিকাংশ বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা আন্তরিকতার সঙ্গে পাঠদান করছেন এবং শিক্ষার পরিবেশও সন্তোষজনক। তবে সরকার আরও ভালো ফলাফল প্রত্যাশা করে এবং সে লক্ষ্যেই বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে অন্যতম বড় সমস্যা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতি। অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসে না। এ সমস্যা কমাতে শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিফর্ম, জুতা ও স্কুলব্যাগ দেওয়ার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ববি হাজ্জাজ বলেন, গত চার মাস ধরে দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করছি। বর্তমানে ঢাকা শহরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা নিরূপণে একটি বড় প্রকল্পের আওতায় পর্যবেক্ষণ চলছে। আগামী এক মাসে রাজধানীর অধিকাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করা হবে।

তিনি বলেন, শহর ও গ্রামে শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতির মধ্যে পার্থক্য থাকলেও শহরেও লার্নিং ডেফিসিট রয়েছে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করতে নিয়মিত মাঠপর্যায়ের পরিদর্শন করা হচ্ছে। বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের তথ্যের পাশাপাশি সরেজমিন পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বাস্তব চিত্র জানা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: নতুন পে স্কেলে বদলে যাচ্ছে ইনক্রিমেন্টের নিয়ম, গ্রেডভেদে বেতন বৃদ্ধি হবে যে হারে

শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নে একটি বিস্তৃত নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এতে শিক্ষকদের বেতন কাঠামো, দায়িত্ব, মূল্যায়ন পদ্ধতি, প্রশিক্ষণ, ধারাবাহিক পেশাগত উন্নয়ন (সিপিডি) এবং উপজেলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম নতুনভাবে সাজানো হবে। কোন শিক্ষক কি ধরনের প্রশিক্ষণ কখন পাবেন, তাও নির্ধারণ করা হবে।

বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় একটি শ্রেণিতে পাঠদান করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, অধিকাংশ শিক্ষার্থী প্রত্যাশিত দক্ষতা অর্জন করেছে। তবে কয়েকজন শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে পিছিয়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের তাদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দেশের অনেক শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেও ঠিকমতো পড়তে ও লিখতে পারে না—এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ সমস্যা সমাধানে ফাউন্ডেশনাল লার্নিংয়ের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। পাঠ্যক্রমকে আরও সহজ, ধাপভিত্তিক ও দক্ষতাকেন্দ্রিক করে পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষক প্রশিক্ষণ, প্রশাসনিক তদারকি এবং প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান ও মূল্যায়ন ব্যবস্থাও জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, ভিডিওভিত্তিক পাঠ, ডিজিটাল মূল্যায়ন এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে প্রাথমিক শিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।

যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্যসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক
  • ০২ অক্টোবর ২০২৬
বিডিনিউজের সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন
  • ০২ অক্টোবর ২০২৬
রাশেদ খাঁনের হস্তক্ষেপে নিয়োগপত্র পাচ্ছেন ঝিনাইদহের মিশন আচ…
  • ০২ অক্টোবর ২০২৬
রাতেই ঢাকায় আসছে রূপপুরের ইউরেনিয়াম
  • ০২ অক্টোবর ২০২৬
কেন এত ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন মেজর আখতারুজ্জামান, জামায়াতের ৩৪ এম…
  • ০২ অক্টোবর ২০২৬
ছুটির দিনেও উপাচার্যের পুনর্বহালের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করছ…
  • ০২ অক্টোবর ২০২৬