প্রাথমিকের শিক্ষার্থী © ফাইল ছবি
তিন বছর পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে পরীক্ষা ফিরছে। নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরুর পর ২০২৩ সাল থেকে এ দুই শ্রেণিতে পরীক্ষা বন্ধ ছিল।
২০২৬ সাল থেকে এ দুই শ্রেণিতে পরীক্ষা ফিরিয়ে এনে জাতীয় শিক্ষাক্রম মূল্যায়ন পদ্ধতি পরিমার্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ২৬ জানুয়ারি জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) সভায় প্রাথমিকের মূল্যায়ন পদ্ধতিতে পরিবর্তনের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রাথমিকের নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রাজীব কুমার সরকার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে যেসকল বিষয়ে পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় সেসকল বিষয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ৫০% ও সামষ্টিক মূল্যায়ন ৫০% থাকবে।
মূল্যায়ন সংক্রান্ত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে যেসকল বিষয়ে শুধুমাত্র শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় সেসকল বিষয়ে ১০০% ধারাবাহিক মূল্যায়ন থাকবে এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন থাকবে না; তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে যেসকল বিষয়ে পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় সেসকল বিষয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ৩০% ও সামষ্টিক মূল্যায়ন ৭০% থাকবে।
তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে যেসকল বিষয়ে শুধুমাত্র শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় সেসকল বিষয়ে ১০০% ধারাবাহিক মূল্যায়ন থাকবে এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন থাকবে না; মূল্যায়ন বিষয়ক পরিমার্জিত খসড়া অনুচ্ছেদটি ২৯ জানুয়ারির মধ্যে অনুমোদন, প্রতিস্থাপন, ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে আপলোড করার মাধ্যমে সকলকে অবহিত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এতে আরও বলা হয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম কাঠামো (NCF) সংশোধনের বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে; প্রত্যেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিজ উদ্যোগে প্রান্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করবে, সম্ভব না হলে পাশ্ববর্তী একাধিক বিদ্যালয় নিয়ে প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করতে পারবে। প্রতি প্রাপ্তিকে প্রত্যেক বিষয়ে সামষ্টিক মূল্যায়নে পাঠ্যপুস্তকের অনুশীলন হতে কমপক্ষে ৩০% প্রশ্ন রাখতে হবে।’