© লোগো
খুলনা ও নোয়াখালীতে দুই নেতাকর্মী হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ডাক দিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। সোমবার রাত ১০টায় মধুর কেন্টিন থেকে শুরু হবে এ কর্মসূচি। সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতাদের এ কর্মসূচিতে যথাসময়ে উপস্থিত থাকতে আহ্বান জানিয়েছেন সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টচার্য। সোমাবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানায়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাত ১০টায় কেন্দ্রীয়ভাবে এ কর্মসূচি পালন করা হবে। তাছাড়া অগামীকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সারাদেশের সকল ইউনিটকে একযোগ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ পালন করতে বলা হয়েছে।
সোমবার সকালে খুলনা জেলার কয়রায় গ্রামবাসীর গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন এক উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রবিবার বিকেলে কয়রার বাইলহারানিয়া গ্রামের বাতিকাটা খালের ওপর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাদিউজ্জামান রাসেলের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা ব্রিজ নির্মাণের কাজ করছিলেন।
এ সময় নিম্নমানের কাঁচামাল দিয়ে ব্রিজ নির্মাণের অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে রাসেলকে গণপিটুনি দেন গ্রামবাসী। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানন্তরিত করা হয়। ঢাকায় নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এর আগে রবিবার রাতে ইউনিয়নের নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর সড়কের পলোয়ান বাজারের একটি চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন ছাত্রলীগের কয়েক কর্মী। রাত ৮টার দিকে হঠাৎ শিবিরের কয়েকজন কর্মী এসে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে থাকে। এসময় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে স্থানীয়রা দিকবিদিক ছুটোছুটি করে পালিয়ে যায়।
একপর্যায়ে ছাত্রলীগের কর্মীরা বাধা দিতে গেলে শিবিরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় শিবিরের কয়েকজন দোকানে ঢুকে কুপিয়ে আহত করে ছাত্রলীগের কর্মীদের। পরে হামলাকারীরা চলে গেলে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। আহতদের মধ্যে ছাত্রলীগ কর্মী রাকিব গুলিবিদ্ধ ছিলেন। পরে সোমবার দুপুরে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।