© ফাইল ফটো
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী। মুজিববর্ষে তাকে বাংলাদেশে আসতে দেয়া যায় না বলে জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও হাটহাজারী মাদ্রাসার সহযোগী পরিচালক জুনায়েদ বাবুনগরী।
শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা জানান। বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ‘মুসলমানদের রক্তে হাত রঞ্জিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানালে এর প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ করবে মুসলিম জনতা। ৯০ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশের জনগণ রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসাবে মোদিকে দেখতে চায় না। আশা করি এ ব্যাপারে সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে।’
তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি ভারতে মুসলিমবিদ্বেষী নাগরিকত্ব আইন সিএএ-এর প্রতিবাদ করায় দেশটির রাজধানী দিল্লিতে মুসলমানদেরকে শহীদ করা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালার ঘর মসজিদকে ভেঙে তাতে গেরুয়া পতাকা উড়িয়েছে। এসব ঘটনার নিন্দা ও ধিক্কার জানানোর ভাষা আমাদের নেই। আমরা লক্ষ্য করছি, গুজরাটের কসাইখ্যাত মোদি সরকার আবারো মুসলিম হত্যার হোলি খেলায় মেতে উঠেছে।’
জুনায়েদ বাবুনগরী আরো বলেন, ‘ভারতের মুসলমানদের ওপর রাষ্ট্রীয়ভাবে সন্ত্রাস চালাচ্ছে বিজেপি সরকার। গো-হত্যার মিথ্যা অভিযোগ তুলে বিভিন্ন সময়ে মুসলমানদের ওপর যেসব নির্যাতন চালানো হচ্ছে সেখানে তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। কাশ্মীরে ইতিহাসের নিকৃষ্টতম বর্বরতা চালাচ্ছে এই জালেম মোদি সরকার। এবার তারা মুসলমানদেরকে দেশছাড়া করার হীন উদ্দেশ্যে মুসলিমবিরোধী নাগরিকত্ব বিল পাশ করেছে।’
নরেন্দ্র মোদিকে আর্ন্তজাতিক সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে হেফাজতের এই নেতা বলেন, ‘গত কয়েকদিনে দিল্লিতে মুসলিমবিদ্বেষী নাগরিকত্ব আইন সিএএ-এর প্রতিবাদ করায় হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা মুসলমানদের ওপর বর্বরোচিত হামলা, নৃশংস হত্যা, মসজিদে ভাঙচুর ও পবিত্র কোরআন শরীফে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। অনতিবিলম্বে এসব বন্ধ না হলে ঐক্যবদ্ধভাবে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’