প্রধানমন্ত্রী ঠিক করলেন সোহাগ-এশার বিয়ের তারিখ

০১ জানুয়ারি ২০২০, ০৪:২৪ PM
গতকাল মঙ্গলবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সোহাগ ও এশার পরিবারের সদস্যরা।

গতকাল মঙ্গলবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সোহাগ ও এশার পরিবারের সদস্যরা। © সংগৃহীত

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন। কনে হচ্ছেন কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে আলোচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফিয়া কামাল হল শাখা ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি ইশরাত জাহান এশা। আসছে ৫ ফেব্রুয়ারি তাদের বিয়ের পিঁড়িতে বসার খবর দিয়েছেন খোদ সোহাগ।

মঙ্গলবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এ বিষয়ে সাক্ষাৎ করেন সোহাগ ও এশার পরিবারের সদস্যরা। সাক্ষাতের একটি মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করে সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি সোহাগ। ক্যাপশনে তিনি লিখেন, ‘আমার অভিভাবক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আমাদের বিয়ের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ঠিক করে দিয়েছেন। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা। Happy New year-2020।’

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে তাদের ভক্ত, অনসারী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা শুভ কামনা জানাচ্ছেন। অনেকে বিভিন্ন মন্তব্য করে সরগরম করে রেখেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফিয়া কামাল হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইশরাত জাহান এশা (বাঁয়ে) ও ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ।

 

গণমাধ্যমের তথ্যমতে, ২০১৮ সালের ১১ এপ্রিল মধ্যরাতে কোটা সংস্কারের দাবিতে টানা আন্দোলনের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফিয়া কামাল হলে এক ছাত্রীর রগ কেটে দেওয়ার গুজব ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফিয়া কামাল হলের মোর্শেদা নামের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্রীর রক্তাক্ত পায়ের ছবিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে।

সেই সময়ে ওই ছবির সঙ্গে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে হলের মেয়েদের রগ কেটে দিয়েছেন এশা। এই গুজবের ওপর ভিত্তি করে হলের মেয়েরা তাঁকে অবরুদ্ধ করে ফেলেন। এরপর ছাত্রীরা এশাকে মারধর করেন এবং জুতার মালা পরিয়ে লাঞ্ছিত করেন। তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী ওই হলে গিয়ে এশাকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেন। ওই রাতেই ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এশাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠান। এ ছাড়া ঘটনা তদন্তে কমিটিও গঠন করে ছাত্রলীগ।

পরে জানা যায়, মোর্শেদার পা কেউ কাটেনি, বরং এশার কক্ষের জানালার কাচে লাথি মারতে গিয়ে তাঁর পা কেটে যায়। এরপর ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা এশার সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁর সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও গণমাধ্যমে কথা বলেছেন। পরবর্তী সময়ে এশার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ছাত্রলীগ।

ওই ঘটনা তদন্তের জন্য গঠিত কমিটির দায়িত্বে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আবিদ আল হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স ওই সময় বলেন, সেই রাতে পরিস্থিতিটাই তখন এমন ছিল যে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য এশাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল। ওই ঘটনার সব ভিডিও এবং প্রমাণ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ওই হলে ছাত্রলীগের একটি অংশ এশার ওপর নির্মমভাবে নির্যাতন চালিয়েছে। অভিযোগে (রগ কাটা বা পা কাটা) সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি।

এনসিসি ব্যাংকে ৪ পদে জনবল নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬
লবণজলে অবারিত স্বপ্ন, লবণাক্ত শৈশব
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬
নোবেল শান্তি পুরস্কারে ট্রাম্পকে টেক্কা দিতে পারেন যারা
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬
দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, আজ ভরি কত?
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬
আবরার ফাহাদ হত্যার পেছনে দায়ী ছাত্রলীগের আইডিওলজি—শিবির ট্য…
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬
এসবিএসি ব্যাংকে তিন পদে চাকরি, আবেদন ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬